© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘গোমাংস আমদানিতে ক্ষতিগ্রস্থ হবে খামারিরা’

শেয়ার করুন:
‘গোমাংস আমদানিতে ক্ষতিগ্রস্থ হবে খামারিরা’
own-reporter
০৭:৫৩ পিএম | ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সাম্প্রতিক এক পরিসখ্যান তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জনপ্রতি দৈনিক ১২০ গ্রাম মাংসের চাহিদা হিসেবে বার্ষিক মোট চাহিদা ৭২ দশমিক ৯৭ লাখ মেট্রিক টন। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি থেকে মাংস উৎপাদিত হয়েছে ৭৫ দশমিক ১৪ লাখ মেট্রিক টন। অর্থাৎ ২ দশমিক ১৭ লাখ মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত হয়েছে।এর মধ্যে গরু-ছাগলের মাংস উৎপাদনের ৫৫ শতাংশ।

প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের কথা চিন্তা করে বিদেশ থেকে গরুর মাংস আমদানির প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানিয়েছেন দেশীয় মাংস উৎপাদনকারীরা।সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এনিমেল হেলথ কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আহকাব) সভাপতি ডা. এম নজরুল ইসলাম, প্রাক্তন সভাপতি মোমিন উদ দৌলা, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশনের (বিভিএ) মহাসচিব ড. মো হাবিবুর রহমান মোল্লা, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মাসের (বিডিএফএ) মহাসচিব শাহ ইমরান, বেঙ্গল মিটের হেড অব কমার্শিয়াল অ্যান্ড এক্সপোর্ট সাইদুল হক ভূইয়া বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরীফ আহমেদ চৌধুরী।

সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জনপ্রতি দৈনিক ১২০ গ্রাম মাংসের চাহিদা হিসেবে বার্ষিক মোট চাহিদা ৭২ দশমিক ৯৭ লাখ মেট্রিক টন। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি থেকে মাংস উৎপাদিত হয়েছে ৭৫ দশমিক ১৪ লাখ মেট্রিক টন। অর্থাৎ ২ দশমিক ১৭ লাখ মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত হয়েছে।এর মধ্যে গরু-ছাগলের মাংস উৎপাদনের ৫৫ শতাংশ।

বক্তারা, সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এ শিল্পের যখন রুগ্ন দশা তখন সরকার বিদেশ থেকে হিমায়িত মাংস আমদানি সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা আমলে নিয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দেশিয় খামারি, উৎপাদনকারী ও সংশ্লিষ্টরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পরিবেশ ও কৃষিতেও এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে বলে উল্লেখ করেন বক্তারা।

 

টাইমস/এমএস 

 

মন্তব্য করুন