© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বঙ্গমাতার চরিত্রে ‘আয়নাবাজি’ খ্যাত নাবিলা

শেয়ার করুন:
বঙ্গমাতার চরিত্রে ‘আয়নাবাজি’ খ্যাত নাবিলা

‘আয়নাবাজি’খ্যাত নাবিলা

entertainment-reporter
১১:৫০ এএম | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে তৈরী হচ্ছে বিগ বাজেটের ছবি ‘বঙ্গবন্ধু’। ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন ভারতের গুণী নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে তৈরী হচ্ছে বিগ বাজেটের ছবি ‘বঙ্গবন্ধু’। ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন ভারতের গুণী নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল।

ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য এরই মধ্যে প্রায় শতাধিক দেশি অভিনেতা-অভিনেত্রী অডিশন দিয়েছেন। এখন চলছে শিল্পী বাছাই। গতকাল জানা গেছে, এই ছবিতে বঙ্গবন্ধুর মা শেখ সায়েরা খাতুনের চরিত্রে অভিনয় করছেন দিলারা জামান এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী চরিত্রে থাকছেন অভিনেতা তৌকির আহমেদ। এছাড়াও ফজলুর রহমান বাবুর নাম শোনা গেছে খন্দকার মোশতাকের চরিত্রে।

এরপর থেকে শুরু হয় জল্পনা-কল্পনা। বঙ্গবন্ধুর মায়ের চরিত্রে দিলারা জামানকে দেখা গেলেও বঙ্গমাতা কে হচ্ছেন, এই নিয়ে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয় কৌতূহল। তবে এবার শোনা যাচ্ছে সেই মাতা চরিত্রে থাকতে পারেন ‘আয়নাবাজি’ খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা।

অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্ত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি। এই কারণে শুক্রবার এফডিসিতে অডিশনও দিয়েছেন নাবিলা।

এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টাইমস প্রতিনিধির সাথে কথা হয় নাবিলার। তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য গতকাল অডিশন দিয়েছি। তবে চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টা এখনও বলতে পারছি না। এটা ছবির পরিচালক ও তার টিমের উপর নির্ভর করছে। তবে চূড়ান্ত হলে বেশ খুশি হবো।

বিশ্বস্ত সূত্রে আরও জানা গেছে, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কিশোরী বয়সের চরিত্রে অভিনয় করবেন অভিনেত্রী নাবিলা। তার চরিত্রটি হাজির হবে ‘রেনু’ নাম নিয়ে। কারণ বেগম মুজিবকে এ নামেই ডাকতেন বঙ্গবন্ধু।

বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস পড়ে জানা যায়, চাচাতো ভাই শেখ মুজিবের সাথে শেখ ফজিলাতুননেসার যখন বিয়ে হয় তখন তার বয়স সবে তিন। ওইসময় শেখ মুজিব পড়ালেখা করার জন্য বাবার সাথে গোপালগঞ্জে থাকতেন। আর রেণু থাকতেন গ্রামের বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় শ্বাশুড়ির তত্বাবধানে। স্বামীর সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হবার সূচনা সেই শিশু বয়স থেকেই। তবে সে ব্যাপারে তার আফসোস বা অভিযোগ কিংবা অতৃপ্তি ছিলো না।

বরং সেই শিশু বয়স থেকেই তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন দেশ-মাতৃকার সেবায় স্বামী ও স্বামীর ভালোবাসাকে উৎসর্গ করবেন বলে। বলা চলে এ অনেকটা নিজের জীবনটাকেই উৎসর্গ করে দেয়া। আর তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা মুক্তিসংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য এক অংশ বেগম মুজিব।

 

টাইমস/জেকে

মন্তব্য করুন