• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • রোববার, ০৭ জুন ২০২০, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

তোকমার জাদুকরী উপকার

তোকমার জাদুকরী উপকার

ফিচার ডেস্ক০৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:২২এএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

আমাদের দেশে তোকমা খুবই পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি বীজ দানা। আয়ুর্বেদ, ইউনানি ও চীনা মেডিসিনে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, প্রোটিন, আয়রন ও ক্যালরি।

তোকমার বৈজ্ঞানিক নাম Hyptis suaveolens, একে স্থানীয়ভাবে বিলাতি তুলসি নামেও ডাকা হয়। ভেষজ গুণাবলি পেতে এই বীজ দিয়ে শরবত তৈরিসহ নানা উপায়ে খাওয়া হয়। এছাড়া রূপচর্চাতেও গুঁড়ো করে ব্যবহার করা হয়।

পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম ভক্ষণযোগ্য তোকমায় রয়েছে ২৩৩ কিলোক্যালোরি, ২৩ গ্রাম প্রোটিন ও ৪৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট।

যেভাবে খাবেন তোকমার বীজ-

  • ১ টেবিল চামচ পরিমাণ তোকমার বীজ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
  • ছোট ছোট কালো দানার বীজগুলো সারারাত ভিজে ফুলে উঠবে।
  • সকালে এই পানি ফুলে ওঠা তোকমা বীজসহ পান করে নিন খালি পেটে। সঙ্গে ১ চা চামচ খাঁটি মধু যোগ করতে পারেন।

চলুন জেনে নিই, নিয়মিত তোকমা সেবনের জাদুকরী কিছু উপকার-

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে খুবই কার্যকর তোকমা। সামান্য তোকমা অল্প পানিতে ভিজিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর তা দুধে মিশিয়ে খেলেও উপকার পাওয়া যাবে। এটি হজমের সমস্যাও দূর করতে সহায়তা করে।

ওজন কমাতে
অনেকেই শরীরের ওজন কমাতে চায়। সেজন্য তোকমা অনেক সহায়ক খাদ্য হিসেবে উপকার করে থাকে। এতে কেবল আঁশই থাকে না। তোকমা শরীরে অনেক শক্তিও সরবরাহ করে। যদি তোকমা দানা বাদাম ও শুকনো ফলের সঙ্গে মিশ্রণ করে একমুঠো পরিমাণ খাওয়া যায়, তাহলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধামুক্ত থাকা যায়। এ জন্য খুব সহজেই শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

দেহের তাপ কমায়
তোকমা গরমকালে দেহের তাপমাত্রা কমাতে সহায়তা করে। আর এ কারণে গরম আবহাওয়ার দেশগুলোতে বহু মানুষ তোকমার শরবত পান করে। এটি সুস্বাদু করার জন্য চিনি, মধু, এমনকি কোথাও কোথাও নারিকেল দুধ দেয়া হয়।

রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ
রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যকর তোকমা। মূলত দেহের বিপাকক্রিয়া ধীর করে দেয় তোকমা। ফলে কার্বোহাইড্রেটকে গ্লুকোজে রূপান্তরের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। এ কারণে টাইপ টু ডায়াবেটিস যাঁদের রয়েছে, তারা এটি নিয়মিত খেতে পারেন।

এসিডিটি দূর করে
তোকমা এসিডিটি দূর করতেও কার্যকর। এটি পেটের এসিড নিয়ন্ত্রণ করে জ্বালাপোড়া দূর করে। এজন্য পানিতে সামান্য তোকমা বীজ ভিজিয়ে রেখে পান করতে হবে। তোকমার বীজ পানিতে পরিপূর্ণ থাকে, যা দেহের ক্ষতিকর পদার্থও দূর করতে সহায়ক।

সুস্থ ত্বক ও চুল
ত্বকের নানা সমস্যায় তোকমা ব্যবহার করা যায়। এজন্য কিছু তোকমা বীজ গুঁড়ো করে তা নারিকেল তেলের সঙ্গে মাখিয়ে ত্বকে লাগাতে হয়। এটি নানা চর্মরোগ নিরাময়ে কাজ করে। এটি একজিমা ও সোরিয়াসিস নিরাময়ে কার্যকর। সুস্থ চুলের জন্য এটি নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।

ঠাণ্ডার সমস্যায়
তোকমা বীজে রয়েছে ঠাণ্ডা প্রতিরোধী উপাদান। এটি আপনার দেহকে ঠাণ্ডার বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা গড়তে সহায়তা করবে। সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকতে চাইলে তাই নিয়মিত তোকমা খাওয়া যেতে পারে।

সতর্কতা: গর্ভবতী নারীদের দেহের ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে তোকমা। তাই গর্ভবতী নারী ও শিশুদের তোকমা খাওয়া উচিত নয়। ভালোভাবে পানিতে গুলিয়ে না খেলে এটি পেটে ফুলে যেতে পারে। এতে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, এমনকি শিশুদের শ্বাসরোধও হতে পারে।

 

টাইমস/জিএস

ঘরে বসেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মাসিক বেতন ৮৬ হাজার টাকা!

ঘরে বসেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মাসিক বেতন ৮৬ হাজার টাকা!

ঘরে বসেই ৮৬ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের

করোনাভাইরাসে আরেক শিল্পপতি আজমত মঈনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আরেক শিল্পপতি আজমত মঈনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দেশের আরেক শিল্পপতি আজমত মঈন।

করোনার ‘হটস্পট’ ভিত্তিক লকডাউন আসছে

করোনার ‘হটস্পট’ ভিত্তিক লকডাউন আসছে

এবার নতুন করে করোনা সংক্রমণের ‘হটস্পট’ বা এলাকা ভিত্তিক লকডাউনের

স্বাস্থ্য

আয়রন সমৃদ্ধ সাতটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন

আয়রন সমৃদ্ধ সাতটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন

আমাদের দেহ সুস্থ রাখতে এবং দেহের বিভিন্ন দরকারি জৈবিক কার্য সম্পাদন করতে আয়রন অতি প্রয়োজনীয় একটি খনিজ। এটি রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের জন্য হিমোগ্লোবিনকে সর্বোত্তম কার্য সম্পাদন করতে সহায়তা করে। রক্তাল্পতার অন্যতম প্রধান কারণ আয়রনের ঘাটতি। দেহের লোহিত রক্তকণিকায় আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলে কোষগুলিতে অক্সিজেনের পরিবহণ ব্যাহত হয়।

স্বাস্থ্য

উচ্চ রক্তচাপের রোগীর করোনায় মৃত্যুঝুঁকি বেশি

উচ্চ রক্তচাপের রোগীর করোনায় মৃত্যুঝুঁকি বেশি

উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভোগা করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি বেশি। সম্প্রতি ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। ইন্টারন্যাশনাল টিম অব রিসার্চারের এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন চীনের জিজিয়াং হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের ফেই লি এবং লিং তাও। করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের উহানের ২ হাজার ৮৬৬ জন রোগীর ওপর গবেষণা চালিয়ে তারা এমন দাবি করেন।

স্বাস্থ্য

ঘরবন্দি শিশুদের মানসিকতায় পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

ঘরবন্দি শিশুদের মানসিকতায় পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষ এখন ঘরবন্দি। শিশু-কিশোরদেরও বন্দিদশা। স্কুল-কলেজ বন্ধ। বাইরে যাওয়া বারণ। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ নেই। ফলে তাদের মানসিকতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অভিভাবকদের পাশাপাশি মনরোগ বিশেষজ্ঞরাও এই কথা বলছেন। কলকাতার এই সময় এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানায়। এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিশু-কিশোরদের অনেকেরই তাদের পড়াশোনায় একদম মন বসছে না।

স্বাস্থ্য

শৈশবের স্থূলতা মূত্রথলি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

শৈশবের স্থূলতা মূত্রথলি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

পৃথিবীব্যাপী দেখা দেয়া বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে সংখ্যায় নবম স্থানে রয়েছে মূত্রথলির ক্যান্সার রোগী। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর ফিরে আসার হার যেমন বেশি, তেমনি ৬৫ বছরের বেশি বয়সের মানুষকেই রোগটি বেশি আক্রমণ করে। গবেষণা বলছে শৈশবে যেসব শিশুর অতিরিক্ত ওজন থাকে, পরিণত বয়সে তাদের মূত্রথলিতে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় বেশি থাকে।

স্বাস্থ্য

করোনা চিকিৎসায় ভেষজ ওষুধের পরীক্ষা চালাচ্ছে ভারত

করোনা চিকিৎসায় ভেষজ ওষুধের পরীক্ষা চালাচ্ছে ভারত

বিশ্বজুড়ে চলছে করোনাভাইরাসের প্রকোপ। এরই মধ্যে প্রতিবেশী দেশ ভারতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের নিরিখে ইতিমধ্যে ভারত ইতালিকে হটিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে। আমেরিকা, ব্রাজিল, রাশিয়া, ব্রিটেন, স্পেনের পরেই এখন দেশটির অবস্থান। দিন যত যাচ্ছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের প্রকোপ ততোই বাড়ছে। যার নেই কোনো ওষুধ, নেই প্রতিষেধক। এ পরিস্থিতিতে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ভেষজ ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে ভারতের একটি ওষুধ কোম্

স্বাস্থ্য

কিছু মানুষকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা নেই করোনার

কিছু মানুষকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা নেই করোনার

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। একই সঙ্গে প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যারও। তবে এ মহামারীর মধ্যেও কিছু মানুষ কখনও করোনায় আক্রান্ত হবেন না। সম্প্রতি সেল জার্নালে প্রকাশিত এক নতুন গবেষণায় এমন দাবি করা হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়, সব মানুষের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটানোর সক্ষমতা নেই। কিছু মানুষের শরীরে এমন ধরনের ‘টি সেল’ (এর টিকা নিউজের শেষে দেয়া আছে) রয়েছে, যার কারণে তারা কখনও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন না।