© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

চীনে এবার সোয়াইন ফ্লু’র হানা, মহামারীর আশঙ্কা

শেয়ার করুন:
চীনে এবার সোয়াইন ফ্লু’র হানা, মহামারীর আশঙ্কা
international-desk
০৪:২৭ পিএম | ৩০ জুন, ২০২০

করোনাভাইরাসের প্রকোপ না থামতেই এবার চীনে নতুন ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লু মহামারী আকার ধারণ করতে পারে বলে ধারণা করছে বিশেষজ্ঞরা।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ না থামতেই এবার চীনে নতুন ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লু মহামারী আকার ধারণ করতে পারে বলে ধারণা করছে বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে চীনা সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, জি-৪ নামের নতুন এই ভাইরাসটির বৈশিষ্ট্যগতভাবে এইচ১এন১ স্ট্রেইনের সঙ্গে মিল রয়েছে। ২০০৯ সালে এইচ১এন১ স্ট্রেইনও মহামারি আকার ধারণ করেছিল।

চীনের বিশ্ববিদ্যালয় ও সেখানকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের বিজ্ঞানীরা বলছেন, শূকর থেকে নতুন এই ফ্লু’র উৎপত্তি হয়েছে। মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটানোর বৈশিষ্ট্য রয়েছে নতুন এই ফ্লু ভাইরাসের।

২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গবেষকরা ১০টি প্রদেশে শূকরের নাক থেকে ৩০ হাজার নমুনা সংগ্রহ করে। এসব নমুনা পরীক্ষা করে তারা ১৭৯টি সোয়াইন ফ্লুর খোঁজ পান। এগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই নতুন ধরনের ভাইরাস। যেগুলো ২০১৬ সাল থেকে শূকরের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করছে।

ভাইরাসগুলো নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, জি-৪ ভাইরাসটি উচ্চ সংক্রামক। মানব দেহের কোষে এটি বিস্তার লাভ করতে পারে।

ভাইরাসটি ইতোমধ্যে প্রাণী থেকে মানব শরীরে প্রবেশ করেছে। কিন্তু মানুষ থেকে মানুষের শরীরে এটি ছড়াতে পারে কি না, এমন কোনো তথ্য-প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। যা বিজ্ঞানীদের মূল শঙ্কা।

গবেষকরা বলছেন, মানব শরীরে জি-৪ ভাইরাসটির সংক্রমণ এটির অভিযোজন ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াবে।

যারা শূকর নিয়ে কাজ করেন, তাদেরকে জরুরি ভিত্তিতে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার আহ্বানও জানিয়েছেন গবেষকরা।

উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এর খোঁজ পাওয়া যায়। যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

টাইমস/এসএন

মন্তব্য করুন