• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শনিবার, ৩০ মে ২০২০, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: খুলনায় বিপৎসীমার উপরে পানি

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: খুলনায় বিপৎসীমার উপরে পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা২০ মে ২০২০, ০৫:৩৬পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে খুলনার অধিকাংশ বড় নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বসতভিটা ও খেত নদীর পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছে। জেলায় কয়রায় বেড়িবাঁধ উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। ডুবে গেছে মাছের অনেক ঘের।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান উপকূলে আঘাত হানার আগেই খুলনার নদ-নদীতে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পশুর নদীতে পানি প্রবাহের মাত্রা ছিল দুই দশমিক ৭৯ মিটার। এ নদীর স্বাভাবিক মাত্রা দুই দশমিক ৪৪ মিটার। বুধবার তা বেড়ে হয়েছে তিন দশমিক ৩৭। খুলনার সবচেয়ে বড় নদী শিবসার স্বাভাবিক পানি প্রবাহ থাকে দুই দশমিক ৫৯। বুধবার সেখানে প্রবাহিত হচ্ছে তিন দশমিক ৩৭। ফলে এখানকার অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

সকালের জোয়ারে দাকোপের কামারখোরা ইউনিয়নের ৬, ৭, ৮ নম্বর ওয়ার্ড এর শিবসা নদীর পাশে নলিয়ানের ও কালাবগির পাশে ঝুলন্তপাড়াসহ বেশ কিছু জায়গা তলিয়ে গেছে।

খুলনার রূপসা নদীতে পানির উচ্চতা ছিল দুই দশমিক ৫২ মিটার। এ নদীতে বিপৎসীমার মান ধরা হয় তিন দশমিক শূন্য পাঁচ মিটার।

কয়রা উপজেলার কয়রা সদর, উত্তর বেদকাশী ও দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের কয়েক জায়গা দিয়ে বেড়িবাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করেছে লোকালয়ে। স্থানীয় মানুষ বেড়িবাঁধের উপর মাটি দিয়ে পানি আটকানোর চেষ্টা করেছে। তবে রাতের জোয়ারে অথবা আজকের আমাবস্যার জোয়ারে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

কয়রা সদরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হরেন্দ্রনাথ সরকার বলেন, দুপুরের জোয়ারে বেদকাশীর কাটকাটা গ্রামের পাশ দিয়ে বাঁধ উপচে পানি ঢুকেছে। পরে স্থানীয়রা মাটি দিয়ে পানি আটকায়। তবে জলোচ্ছ্বাস আসলে এ বাঁধ টিকবে না।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন, কয়রা বাদে অন্যান্য উপজেলার বেড়িবাঁধ অতটা নাজুক নয়। জলোচ্ছ্বাস না হলে বাঁধের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। গেল জোয়ারে নদীতে পানি বেড়েছে এবং পানির চাপ খুব বেশি বেড়েছে।

 

টাইমস/এইচইউ

‘করোনায় অযথা দামি ইনজেকশন নয়, খরচ মাত্র ১০০ টাকা’

‘করোনায় অযথা দামি ইনজেকশন নয়, খরচ মাত্র ১০০ টাকা’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানিয়েছেন করোনাভাইরাসে

সব পাবলিক-প্রাইভেট ভার্সিটি ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটি

সব পাবলিক-প্রাইভেট ভার্সিটি ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটি

সব পাবলিক ও প্রাইভেট ভার্সিটিতে ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী

অন্যদের বাঁচাতে প্লাজমা দিলেন করোনাজয়ী ভাই-বোন

অন্যদের বাঁচাতে প্লাজমা দিলেন করোনাজয়ী ভাই-বোন

করোনা ভাইরাসকে জয় করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী মাহপারা তাসনীম ও তার

জাতীয়

প্রেমিককে আটকে ছাত্রীকে ধর্ষণ, মুক্তিপণ চেয়ে আটক বখাটেরা!

প্রেমিককে আটকে ছাত্রীকে ধর্ষণ, মুক্তিপণ চেয়ে আটক বখাটেরা!

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ার পটিখালঘাটায় প্রেমিককে আটকে রেখে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয় তাদের আটকে রেখে মুক্তিপণও

আন্তর্জাতিক

করোনাভাইরাসে ১৮ দেশে ৭১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

করোনাভাইরাসে ১৮ দেশে ৭১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

করোনাভাইরাসে দেশের বাইরেও মৃত্যুর মিছিল থামছে না। এপর্যন্ত আমেরিকাসহ ১৮ দেশে ৭১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে

জাতীয়

করোনা: একদিনে রেকর্ড ২৫২৩ জন শনাক্ত, ২৩ জনের মৃত্যু

করোনা: একদিনে রেকর্ড ২৫২৩ জন শনাক্ত, ২৩ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫২৩ জন। যা একদিনে আক্রান্তের হিসেবে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪২ হাজার ৮৪৪। একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ২৩ জন। এতে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৮২ জনে।

জাতীয়

করোনায় আক্রান্ত পুলিশের ৪৫৪৪ সদস্য, সুস্থ ১৫৬৩

করোনায় আক্রান্ত পুলিশের ৪৫৪৪ সদস্য, সুস্থ ১৫৬৩

মহামারী করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ চার হাজার ৫৪৪ জন সদস্য। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৫৬৩ জন। সুস্থ হওয়াদের মধ্যে বেশির ভাগ পুলিশ সদস্যই পুনরায় কাজে যোগ দিয়েছেন।

জাতীয়

প্রাথমিকের প্রশ্ন যাবে বাড়িতে, অভিভাবকদের সামনে পরীক্ষা!

প্রাথমিকের প্রশ্ন যাবে বাড়িতে, অভিভাবকদের সামনে পরীক্ষা!

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দিনে দিনে বাড়ছে। এরই মাঝে দেশে লকডাউন শিথিল করে দেয়া হচ্ছে। খুলছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। গাড়ি চলাচলও ধীরে

বিনোদন

যেসব শর্তে আবার শুরু হচ্ছে নাটকের শুটিং

যেসব শর্তে আবার শুরু হচ্ছে নাটকের শুটিং

কিছুদিন আগে গত ১৭ মে ৬ শর্ত মেনে নিজ দায়িত্বে শুটিং শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল টিভি নাটকের শীর্ষ সংগঠনগুলো। যদিও এই সিদ্ধান্তের একদিন পরই নিজেদের মধ্যে মতের মিল না হওয়ায় দূরে সরে আসে সংগঠনগুলো।