© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আশ্বাসে খুলনায় পাটকল শ্রমিকদের আন্দোলন স্থগিত

শেয়ার করুন:
আশ্বাসে খুলনায় পাটকল শ্রমিকদের আন্দোলন স্থগিত
own-reporter-khulna
০৯:৫২ এএম | ২২ মে, ২০১৯

দাবি পূরণের আশ্বাস পাওয়ার পর খুলনা-যশোর অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত নয়টি পাটকলের শ্রমিকরা তাদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে যশোর-খুলনা অঞ্চলের পাটকল শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক মুরাদ হোসেন এ ঘোষণা দেন।

দাবি পূরণের আশ্বাস পাওয়ার পর খুলনা-যশোর অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত নয়টি পাটকলের শ্রমিকরা তাদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে যশোর-খুলনা অঞ্চলের পাটকল শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক মুরাদ হোসেন এ ঘোষণা দেন।

মো. মুরাদ হোসেন জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া দুই সপ্তাহের মজুরি প্রদান, আগামী সপ্তাহের মধ্যে পুরো বকেয়া মজুরি প্রদান ও বুধবার কর্মরত শ্রমিকদের মজুরি কমিশন বাস্তবায়নের পে-স্লিপ প্রদানের শর্তে আন্দোলন স্থগিত করা হয়।

পাটখাতে প্রয়োজনীয় অর্থবরাদ্দ, বকেয়া মজুরি-বেতন পরিশোধ, মজুরি কমিশন কার্যকর ও প্রতি সপ্তাহের মজুরি প্রতি সপ্তাহে প্রদানসহ নয় দফা দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিকরা রাজপথে আন্দোলন করে আসছিলেন।

৫ মে রাত থেকে পাটকল শ্রমিকরা কর্মবিরতি শুরু করেন। খুলনার প্লাটিনাম জুবলী জুট মিলস, স্টার জুট মিলস, দৌলতপুর জুট মিলস, খালিশপুর জুট মিলস, আলিম জুট মিলস, ইস্টার্ন জুট মিলস, ক্রিসেন্ট জুট মিলস এবং যশোরের জে জে আই জুট ও কার্পেটিং মিলস শ্রমিকরা এই কর্মবিরতিতে অংশ নেন।

বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগ এবং সিবিএ ও নন-সিবিএ পরিষদ যৌথভাবে ১২ দফা দাবিতে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল। এই দাবিতে শ্রমিকরা এপ্রিল মাসে দুই দফা ধর্মঘট পালন করেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রেল ও রাজপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।

শ্রমিকদের ঘোষিত দাবির মধ্যে রয়েছে- সরকার ঘোষিত জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন-২০১৫ সুপারিশ বাস্তবায়ন, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারীদের পিএফ গ্র্যাচুইটি ও মৃত শ্রমিকের বিমার বকেয়া টাকা প্রদান, টার্মিনেশন ও বরখাস্ত শ্রমিকদের কাজে পুনর্বহাল, শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়োগ ও স্থায়ীকরণ, পাট মৌসুমে পাট ক্রয়ের অর্থ বরাদ্দ, উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিলগুলোকে পর্যায়ক্রমে বিএমআরই করা।

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন