• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২০, ১৮ আষাঢ় ১৪২৭

কারাতে ছেড়ে বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ৪৩ স্বর্ণজয়ী হাসান!

কারাতে ছেড়ে বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ৪৩ স্বর্ণজয়ী হাসান!

নিজস্ব প্রতিবেদক২৮ জুন ২০২০, ০৯:২৮পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

১৭ বছর ধরে কারাতে নিয়েই আছেন হাসান খান সান। জয় করেছেন ৪৩টি স্বর্ণ এবং ৭০টি রুপা। ২০১০ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান গেমসে কারাতে থেকে স্বর্ণপদক জিতে নেন তিনি। গত বছর নেপালে অনুষ্ঠিত গেমসে স্বর্ণপদকটা হাতছাড়া হয়। ব্রোঞ্জ পদকেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে। এতে মন ভেঙে যায় সানের।

এবার তিনি কারাতে ছেড়ে দিয়ে অন্যপথে হাঁটছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্সে ভর্তি হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সরকারি চাকরি করতে চান সান। বাংলাদেশ আনসার বাহিনীতে চাকরি করা সান জানালেন কারও প্রতি ক্ষোভ কিংবা অভিমানে নয়, একটা নিরাপদ জীবন বেছে নিতেই কারাতে ছাড়তে চান তিনি।

সান জানালেন, তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন এমবিএ করছেন তিনি। দুই বছর পর এমবিএ শেষ হবে। এর মধ্যে বিসিএস দেবেন। সারাদিন পড়ালেখা নিয়েই থাকেন তিনি।

জানা গেছে, হাসান খান সান ২০০৩ সালে কারাতেতে নাম লেখালেও পদক জিততে তার লেগেছিল আরও দুই বছর। ২০০৫ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া প্যাসিফিক কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতে পদকের যাত্রা শুরু করেন সান। পরের বছরে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে তার প্রথম স্বর্ণজয়। এরপর ধীরে ধীরে কারাতে ডিসিপ্লিনে নিজেকে শাণিত করেন। ২০০৯ সালে সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসের প্রস্তুতির জন্য ঢাকায় অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ কারাতে আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশিপে দুটি স্বর্ণ ও একটি রুপা জিতে চমক দেখিয়েছিলেন। পরের বছর ঢাকায় অনুষ্ঠিত এসএ গেমসে জমজ ভাই মুনকে সঙ্গে নিয়ে দলগত জেতা স্বর্ণপদক খ্যাতি এনে দেয় আনসারের এই কারাতেকারের জীবনে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। আনসার ভিডিপিতে স্থায়ী চাকরি হয়েছে সানের। বাবাহারা সংসারে মা ও ভাইকে নিয়ে দিন কাটে তার। ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে ৪৩টি স্বর্ণ এবং ৭০টি রুপা জয় করেছেন তিনি।

 

টাইমস/জেকে

সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে আক্রান্ত ছাড়াল দেড় লাখ

সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে আক্রান্ত ছাড়াল দেড় লাখ

দেশে প্রতিদিনই বেড়ে চলছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। দেশে

‘হীনমন্যতায় প্রতি রাতেই কেঁদেছি, অবশেষে পররাষ্ট্র ক্যাডার’

‘হীনমন্যতায় প্রতি রাতেই কেঁদেছি, অবশেষে পররাষ্ট্র ক্যাডার’

আমি সফল কেউ নই। অন্তত এখনো নই। তাই সফলতার গাঁথা

৩৭তম বিসিএসে শিক্ষা, এবার প্রশাসন ক্যাডার ঢাবি ছাত্রের

৩৭তম বিসিএসে শিক্ষা, এবার প্রশাসন ক্যাডার ঢাবি ছাত্রের

হুছাইন মুহাম্মদ। ৩৮ তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। মেধাক্রম

জাতীয়

করোনা উপসর্গে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকের মৃত্যু

করোনা উপসর্গে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকের মৃত্যু

করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অবসরপ্রাপ্ত ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. ফকরুল ইসলামের (৮৬) মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

চাকরি

৩৮তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে ১৭তম বুয়েটের সনদ বড়ুয়া

৩৮তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে ১৭তম বুয়েটের সনদ বড়ুয়া

চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে এসএসসি পাস করার পর ভর্তি হন চট্টগ্রাম কলজে। সেখানেও কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি পাস করেন তিনি।

স্বাস্থ্য

এবার করোনায় হলি ফ্যামিলি মেডিকেল চিকিৎসকের মৃত্যু

এবার করোনায় হলি ফ্যামিলি মেডিকেল চিকিৎসকের মৃত্যু

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি হলেন হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের

চাকরি

সংসার সামলে প্রথম বিসিএসেই এএসপি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী!

সংসার সামলে প্রথম বিসিএসেই এএসপি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী!

নুসরাত ইয়াছমিন তিসা। পড়াশোনা করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে। দ্বিতীয় বর্ষেই তাকে বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়।

চাকরি

শাবিতে পড়াশোনা, একসঙ্গে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার গল্প দুই বোনের

শাবিতে পড়াশোনা, একসঙ্গে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার গল্প দুই বোনের

ফাতেমাতুজ জুহরা চাঁদনী ও সাদিয়া আফরিন তারিন পড়াশোনা করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ৩৮তম বিসিএসে তারা দুই বোনই

স্বাস্থ্য

স্ট্রেস আমাদের দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে পারে

স্ট্রেস আমাদের দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে পারে

স্ট্রেস মানব জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যারিয়ার বা কাজের চাপ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত-সামাজিক ইস্যু, হালের মহামারীসহ একাধিক কারণে স্ট্রেস বা মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে। স্ট্রেস বা মানসিক চাপ নানাভাবে আমাদের দেহের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তবে, অনেকে স্ট্রেসের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সচেতন নয়, ফলে সময়মতো প্রতিকার বা চিকিৎসা গ্রহণ করেন না।