বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাড্ডা থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এই মামলায় তারা এজাহারনামীয় আসামি ছিলেন। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন সকালে পৌনে ১০টায় তাদের কারাগার থেকে আদালতে আদালতে হাজির করা হয়।
সাড়ে ১০টায় তাদের আদালতের এজলাসে উঠানো হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক মো. গোলাম কিবরিয়া খান তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন শুনানিতে অংশ নেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ২০ জুলাই বাড্ডা থানার মধ্যবাড্ডা এলাকায় অংশ নেন ভুক্তভোগী মো. দুর্জয় আহম্মেদ। ওই দিন মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি রাস্তায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় তাদের অনুসারীরা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্য এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করে। এতে মাথায় পেছনে গুলি লেগে গুরুতর আহত হন দুর্জয়।
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। পরে তার দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। ওই ঘটনায় একই বছরের ২০ নভেম্বর ভুক্তভোগী মো. দুর্জয় আহম্মেদ বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।