পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষের কয়েক মাস পেরিয়ে গেছে।
ভারতশাসিত জম্মু অঞ্চলে ‘ড্রোন অনুপ্রবেশের’ ঘটনায় ভারতের সেনাপ্রধান মঙ্গলবার সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তান থেকে ভারতে ড্রোন অনুপ্রবেশের বিষয়ে দেশটির সামরিক অভিযানের প্রধানকে নিয়ন্ত্রণ নিতে বলা হয়েছে।
ভারতীয় সামরিক সূত্র জানায়, রবিবার সন্ধ্যায় ভারতশাসিত কাশ্মীরের জম্মু অঞ্চলের সীমান্তে পাঁচটি ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে। আরেক ঘটনায়, শুক্রবার পাকিস্তান থেকে আসা একটি ড্রোন দুটি পিস্তল, তিনটি গোলাবারুদের ম্যাগাজিন, ১৬টি গুলি ও একটি গ্রেনেড ফেলে গেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, যা তল্লাশির পর উদ্ধার করা হয়েছে বলে ওই সূত্র জানায়।
ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী জানান, শনিবার থেকে অন্তত আটটি ড্রোন দেখা গেছে। ১৫ জানুয়ারি আর্মি ডের আগে বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এই ড্রোনগুলো, আমার বিশ্বাস, প্রতিরক্ষামূলক ড্রোন ছিল, যেগুলো ওপরে উঠে দেখার চেষ্টা করছিল কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কি না।’
তিনি আরো বলেন, ‘এটাও সম্ভব, তারা দেখতে চেয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনীর কোথাও কোনো ফাঁকফোকর বা শৈথিল্য আছে কি না, যার মধ্য দিয়ে তারা সন্ত্রাসীদের পাঠাতে পারে।’ তিনি জানান, মঙ্গলবার উভয় পক্ষের সামরিক অভিযানের পরিচালকরা ফোনে কথা বলেছেন। দ্বিবেদী বলেন, ‘এই বিষয়টি আজ আলোচনা হয়েছে এবং তাদের জানানো হয়েছে যে এটি আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং দয়া করে এটি বন্ধ করুন। এই বার্তাই তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।’
ভারতীয় গণমাধ্যমে সেনা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, অনুপ্রবেশগুলো সামরিক ড্রোনের মাধ্যমে ঘটেছে। এই মন্তব্যের বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আইকে/টিএ