© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে শক্তিশালী করছে ইরান

শেয়ার করুন:
পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে শক্তিশালী করছে ইরান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:২৬ পিএম | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্থগিত পারমাণবিক আলোচনা এবং এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির মধ্যে ইরান গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও পারমাণবিক স্থানগুলো মেরামত ও শক্তিশালী করছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রয়টার্সের প্রকাশিত ছবিতে এমনটাই দেখা গেছে।

ছবিতে পারচিন সামরিক কমপ্লেক্সে একটি নতুন স্থাপনা দেখানো হয়েছে যা একটি কংক্রিটের ঢাল এবং মাটি দিয়ে ঢাকা, অন্যদিকে ইসফাহান পারমাণবিক স্থাপনার টানেলের প্রবেশপথগুলো পুনরায় ভরাট করা হয়েছে।

গত জুনে ইসরাইলের সাথে ১২ দিনের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত নাতানজে টানেল অ্যাক্সেস এবং ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোও শক্তিশালী করা হয়েছে।

আল জাজিরা জানায়, ছবিগুলিতে আরও দেখা যায় যে, একটি পারমাণবিক স্থাপনায় ইরান সুড়ঙ্গের প্রবেশপথগুলো পুঁতে রেখেছে - যেখানে ইসরাইলের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র হামলায় যোগ দিয়েছিল - আরেকটি সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ সুরক্ষিত করেছে এবং সংঘর্ষে আঘাতপ্রাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি মেরামত করেছে।

গত জুনে ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালায় ইসরাইল। যা তেহরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে এর প্রতিক্রিয়া জানায়। যদিও সে সময় ইরান দাবি করে, তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারেনি, তারপরও ক্ষতগুলো মোকাবেলা করার জন্য এই পুনর্গঠনটি করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

গত বছর ইরানের সাথে তার বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পাঁচ দফা আলোচনা করে যুক্তরাষ্ট্র, যার জন্য ট্রাম্প ৬০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেন।

১৩ জুন ৬১তম দিনেও যখন কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি তখন ইসরাইল আকস্মিক সামরিক আক্রমণ শুরু করে, এরপর ২২ জুন ইসফাহান, নাতানজ এবং ফোরদোর গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে মার্কিন হামলা চালানো হয়।

জেনেভায় নতুন করে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা শুরু হলেও তা অমীমাংসিত থাকার পরই এই দুর্গ নির্মাণের কাজ শুরু করল তেহরান।

অন্যদিকে ওয়াশিংটন কূটনীতি স্থবির হতে পারে এমন উদ্বেগের মধ্যে ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এবং অতিরিক্ত নৌ সম্পদসহ মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অবস্থান আরও জোরদার করেছে।

এদিকে, রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, শক্তিশালী স্থাপনা, চলমান সামরিক প্রস্তুতি এবং অবিরাম কূটনৈতিক আলোচনা মিলে তেহরানের কৌশলগত অবকাঠামো রক্ষার দ্বৈত কৌশলকে প্রতিফলিত করে এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সম্ভাবনা উন্মুক্ত রাখে।

সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

এমআর/টিএ 

মন্তব্য করুন