© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বকে আরও গভীর করার আহ্বান প্রণয় ভার্মার

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বকে আরও গভীর করার আহ্বান প্রণয় ভার্মার

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২৬ এএম | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বকে আরও গভীরতর করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে ‘শ্রীরামকৃষ্ণের বিশ্বজনীনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের ১৯১তম শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের উদ্যোগে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে গত মঙ্গলবার থেকে ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে চারদিনব্যাপি নানান অনুষ্ঠান হচ্ছে।

প্রণম ভার্মা বলেন, শ্রী রামকৃষ্ণের আধ্যাত্মিক সাধনা দক্ষিণেশ্বরে সম্পন্ন হয়েছিল। তবুও তার দৃষ্টি ও দর্শন কোনো একটি গ্রাম, একটি মন্দির বা একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তার শিক্ষা ভৌগোলিক ও ধর্মীয় সীমানা অতিক্রম করেছে। ‘যত মত তত পথ’- ধর্মের সার্বজনীনতায় তার এই বিশ্বাস ওই সময়ের ধর্মীয় আলোচনাকে আলোকিত করেছে এবং সম্প্রীতি ছড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ব যখন আজ বিভাজন ও মেরুকরণের সঙ্গে লড়াই করছে, তখন শ্রীরামকৃষ্ণের শিক্ষা আমাদের মতপার্থক্যের উর্ধ্বে উঠে মানবতার কল্যাণে কাজ করতে এবং শান্তি ও বোঝাপড়ার ভবিষ্যৎ গড়তে আহ্বান করে। তার দৃষ্টি আমাদেরকে সরলতা, আন্তরিকতা এবং আধ্যাত্মিকতার দিকে পরিচালিত করে। তাঁর দর্শন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে- সত্যিকারের ধর্ম হলো গ্রহণ, সমন্বয় ও অন্তর্ভুক্তি; বিচ্ছেদ, বর্জন ও প্রত্যাখ্যান নয়। সত্যিকারের ধর্ম হলো অপরের জন্য সেবা, স্বার্থপরতা নয়। সর্বোপরি সত্যিকারের ধর্ম হলো ভালোবাসা ও সম্প্রীতি, ঘৃণা ও বিভেদ নয়। তাই শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের এই পবিত্র জন্মবার্ষিকীতে আসুন, আমরা একত্র হয়ে তার সার্বজনীন আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাই, শান্তি ও সম্প্রীতিকে শক্তিশালী করি এবং ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বকে গভীরতর করি। শ্রীরামকৃষ্ণের আশীর্বাদ আমাদেরকে শান্তি, ঐক্য এবং সকলের মধ্যে ঈশ্বরীয় উপলব্ধির দিকে পরিচালিত করুক।

ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মো. নুরুজ্জামান, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শিঞ্জিনী সরকার প্রমুখ।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন