© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইরানে যুদ্ধ চায় না ‘জিউইশ ভয়েস ফর পিস’

শেয়ার করুন:
ইরানে যুদ্ধ চায় না ‘জিউইশ ভয়েস ফর পিস’

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:০১ পিএম | ০১ মার্চ, ২০২৬
ইরানে যুদ্ধ চায় না ইহুদিদের একটি গোষ্ঠী। জিউইশ ভয়েস ফর পিস (জেভিপি) হলো যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড়, সাধারণ মানুষের ভিত্তিতে তৈরি প্রগতিশীল ইহুদি সংগঠন। যারা প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতা এবং মুক্তির জন্য কাজ করে। এটি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সংগঠনটি ইসরায়েলের নীতি এবং প্যালেস্টাইনের ওপর দখলকে সমালোচনা করে এবং বয়কট, বিনিয়োগ প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞা (বিডিএস) আন্দোলনকে সমর্থন করে।

সংগঠনটি তাদের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতি প্রতাক করেছে। ওই বিবিৃতিতে বলা হয়েছে, জিউইশ ভয়েস ফর পিস গত রাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া অনৈতিক ও অবৈধ যুদ্ধের নিন্দা জানিয়েছে। এই আক্রমণ এমন একটি অন্তহীন যুদ্ধের ইন্ধন যোগাচ্ছে।

এই যুদ্ধ লাখ লাখ মানুষের জীবন বিপন্ন পারে। আমরা ইরানের জনগণের পাশে দাঁড়াই এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সরকারের সাম্রাজ্যবাদী ও যুদ্ধবাজ নীতির বিরুদ্ধে সংহতি প্রকাশ করি।

তাতে আরো বলা হয়, ইরানের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ কয়েক দশক ধরে তাদের সরকারের নৃশংস নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে লড়াই করছে। এর মধ্যে রয়েছে গত দুই মাস ধরে অর্থনৈতিক দুর্দশা এবং স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের জন্য হওয়া ব্যাপক বিক্ষোভ।

এই লড়াইয়ের কারণে তারা ভয়াবহ নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে ২০ হাজারের বেশি নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ আহত বা গ্রেপ্তার হয়েছে।

স্পষ্ট করে বলা যায়, বিদেশি শক্তি ও সাম্রাজ্যবাদী নীতি যেমন শাসন পরিবর্তন, যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি ইরানের সরকারকে আরো শক্তভাবে নিপীড়ন চালাতে সাহায্য করেছে। বিদেশি আক্রমণ এবং হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মানুষ স্বাধীনতা বা গণতন্ত্র পায় না। মার্কিন ও ইসরায়েলের যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য এবং সারা বিশ্বের মানুষের জন্য বড় হুমকি।

গত দুই বছরে ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালানোর সময় লেবানন, ইরান, সিরিয়া এবং ইয়েমেনে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের আগ্রাসন বাড়িয়েছে।

ট্রাম্পের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইরান, ইরাক, সিরিয়া, নাইজেরিয়া ও ইয়েমেনে বোমা হামলা চালিয়েছে, ভেনেজুয়েলায় সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করেছে এবং অভিবাসী ও ট্রান্সজেন্ডারদের ওপর আক্রমণ এবং নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে।

আমেরিকানদের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ গণহত্যা এবং অন্তহীন যুদ্ধ চায় না। তারা জানে যে, ইরানি জনগণ, ফিলিস্তিনি জনগণ এবং বিশ্বের সকল মানুষের তাদের নিজস্ব ভবিষ্যতের নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি যুদ্ধবাজদের ইচ্ছায় নয়। এটি বন্ধ করার জন্য একটি গণযুদ্ধবিরোধী আন্দোলনের প্রয়োজন, এখনই সময়।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন