বাংলাদেশ-ভারত একসঙ্গে কাজ করে অনেক কিছু করা সম্ভব: প্রণয় কুমার ভার্মা
ছবি: সংগৃহীত
০৩:১২ পিএম | ০২ মার্চ, ২০২৬
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গভীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। নতুন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণে আগ্রহী ভারত। তাই একসঙ্গে কাজ করে অনেক কিছু করা সম্ভব।
সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
হাইকমিশনার বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ সহযোগিতা যেন নিজ নিজ জাতীয় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে হয়- সেটি নিয়েও কথা হয়েছে। কীভাবে এটিকে আরও ভবিষ্যতমুখী, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবননির্ভর করা যায়, আমাদের অর্জনগুলোকে ব্যবহার করে কীভাবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করা যায়, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও গভীর করা যায়- এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
হাই কমিশনার ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্কের গভীর ও স্থায়ী প্রকৃতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উন্নয়নের উপায় এবং ডিজিটাল কমার্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উদীয়মান ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়গুলোও পর্যালোচনা করা হয়।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দুই দেশের মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। কীভাবে এটিকে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেছি। কীভাবে দুই দেশের বিভিন্ন খাতে ব্যবসাগুলোর জন্য পারস্পরিক সম্পৃক্ততা সহজ করা যায় এবং কীভাবে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি, যাতে আমাদের ভৌগোলিক নৈকট্য- দুই দেশের মধ্যে যে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে- তা নতুন অর্থনৈতিক সুযোগে রূপান্তরিত করা যায়, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
সিইপিএ চুক্তি বা ট্রান্সশিপমেন্ট নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট আলোচনা হয়নি। তবে অবশ্যই এসব বিষয় আমাদের ব্যবসা ও অর্থনৈতিক আলোচনার অংশ। ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য স্থলবন্দর গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া নতুন প্রেক্ষাপটে আমাদের নতুন অর্থনৈতিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কীভাবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে কী ধরনের কৌশল হওয়া উচিত- এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা দুই দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। আমাদের খুব প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসা, অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উন্নয়নে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আমাদের আগ্রহ জানানো।’
এসকে/টিকে