© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জাল দলিলে নামজারির অভিযোগে এসিল্যান্ডসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন:
জাল দলিলে নামজারির অভিযোগে এসিল্যান্ডসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:০৬ এএম | ০৪ মার্চ, ২০২৬
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জাল দলিল তৈরি করে পৈতৃক ও কেনা সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে সাবেক সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) চট্টগ্রাম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক সাখাওয়াত হোসেনের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন গিয়াস উদ্দীন খাঁন নামে একজন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান খাঁন জানান, আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি আইনের ৪২০, ৪৬৫, ৪৬৬, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৫০৬ ২, ১০৯ এবং ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার বিবাদীরা হলেন, নওশাদুল ইসলাম খাঁন, মোছাম্মৎ সৈয়দা নুসরাত জাহান চৌধুরী, জেরিন ইসলাম খানম, তাসনিম ইসলাম খানম, আকিবুল ইসলাম খান, রিয়াজুল ইসলাম খান মহিউদ্দীন শাহ, মুজাফফর আহাম্মদ খাঁন, তাপস দেওয়ানী, মোহাম্মদ শের আলী শাহ, দিদারুল ইসলাম খাঁন এবং দিলীপ চৌধুরী।

এছাড়া হাটহাজারী উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি শরীফ উল্যাহ, ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা জুলকার নাঈম, ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত কাজী আশরাফ উদ্দীন এবং উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো এম এ সাত্তার খানকেও এই মামলায় বিবাদী করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ করে ফতেয়াবাদ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ১৯৯৯ সালের ১০ অক্টোবর নির্দ্দায় ছাফ বিক্রয় কবলা পত্র শিরোনামে একটি দলিল সৃজন করেন। ওই দলিলে গিয়াস উদ্দীন খাঁনের মৃত চাচা ফোরক আহাম্মদ খান ও বাবা ফরিদ আহম্মদ খানকে জীবিত দেখিয়ে ভুয়া স্বাক্ষর ও টিপসই ব্যবহার করা হয়। অথচ ফোরক আহাম্মদ খান ১৯৯২ সালে এবং ফরিদ আহম্মদ খান ১৯৮৭ সালে মারা যান।

এতে আরও বলা হয়, আসামিরা ওই ভুয়া দলিল ব্যবহার করে হাটহাজারী উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন করেন। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দলিলের সত্যতা যাচাই না করে এবং অভিযোগকারীকে কোনো নোটিশ দেওয়া ছাড়াই ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট নামজারি খতিয়ান তৈরি করে দেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে গিয়াস উদ্দীন খাঁন আসামিদের বসতঘরে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। 

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন