জন্মদিনে কার কথা বারবার মনে পড়ে অভিনেতা ঋজুর?
ছবি: সংগৃহীত
১২:৩৩ পিএম | ১৫ মার্চ, ২০২৬
জন্মদিন অনেকের কাছেই আনন্দ, উদ্যাপন আর কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানোর দিন। কিন্তু ঋজু বিশ্বাস-এর কাছে ১৫ মার্চ দিনটি বহু বছর ধরেই অন্যরকম। ক্যালেন্ডারে দিনটি বিশেষ হলেও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই দিনটিকে নীরবভাবেই কাটাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন।
অভিনেতার কথায়, প্রায় দুই দশক ধরে তিনি নিজের জন্মদিন আর আলাদা করে পালন করেন না। কেক কাটা, আয়োজন, বন্ধুদের ভিড় সবকিছু থেকেই নিজেকে দূরে রেখেছেন। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ তাঁর বাবার স্মৃতি। বাবাকে হারানোর পর থেকেই জন্মদিনের আনন্দ যেন ধীরে ধীরে মুছে গেছে তাঁর জীবনে।
ছোটবেলার স্মৃতি অবশ্য একেবারেই আলাদা। বোর্ডিং স্কুলে বড় হওয়ায় জন্মদিন মানেই ছিল আলাদা উচ্ছ্বাস, সহপাঠীদের সঙ্গে বিশেষ আয়োজন, আর দিনভর উৎসবের আবহ। এখনও যদি শুটিংয়ের মধ্যে জন্মদিন পড়ে, সহকর্মীরা আনন্দের পরিবেশ তৈরি করেন। কিন্তু নিজের ভেতরে দিনটি আগের মতো আর রঙিন হয়ে ওঠে না।

এখন জন্মদিন মানেই বাড়িতে থাকা, শান্তভাবে সময় কাটানো, আর মায়ের স্নেহে ভরা একটি ছোট্ট নিয়ম। প্রতি বছরই তাঁর মা পায়েস রান্না করেন। আপত্তি জানালেও সেই নিয়ম ভাঙেন না তিনি। ঋজুর কাছে এই পায়েসই এখন জন্মদিনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তাঁর কথায়, এই দিনের পায়েসের স্বাদ আলাদা, যেন স্মৃতির সঙ্গে মিশে থাকে এক ধরনের নরম আবেগ।
প্রিয় খাবারের তালিকায় রয়েছে বিউলির ডালও। খুব সাধারণ এই খাবারেই তিনি স্বস্তি খুঁজে পান। তাই বিশেষ দিনে বাড়ির খাবারেই তাঁর তৃপ্তি।
সম্প্রতি নতুন একটি ধারাবাহিক বা ধারাবাহিকধর্মী কাজের শুটিং শুরু করেছেন তিনি। তবে এখনই সেই কাজ নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে চাননি। আপাতত আলোচনার বাইরে থেকে নিজের ছন্দে কাজ এবং ব্যক্তিগত সময় এই দুইয়ের মধ্যেই থাকতে চাইছেন অভিনেতা।
পিআরি/টিকে