বসিলা থেকে ৪ যাত্রী নিয়ে ছাড়লো এমভি ইমাম হাসান-৫
ছবি: সংগৃহীত
১০:০০ এএম | ১৭ মার্চ, ২০২৬
বসিলা-সদরঘাট-শরীয়তপুর নৌপথের এমভি ইমাম হাসান-৫ লঞ্চ মাত্র চারজন যাত্রী নিয়ে বসিলা ঘাট থেকে ছেড়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল ৯টায় লঞ্চটি শরিয়তপুর ঈদগাহ ফেরিঘাটের উদ্দেশে ছেড়েছে।
লঞ্চটির কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে থাকা হাসান আহমেদ দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, মাত্র চারজন যাত্রী নিয়ে রওয়ানা দিচ্ছি। সদরঘাটে গেলে যাত্রী পেতে পারি। তিনি আরও বলেন, আজকে আমরা শুরু করেছি। আশা করছি যাত্রী পাবো। আমরা চাই লঞ্চ চলুক। প্রচারণা নেই। প্রচারণা থাকলে আরো যাত্রী হতো। গত শনিবার আমরাই জানতে পেরেছি। আমরাই জানতাম না, যাত্রীরা জানবে কীভাবে? ব্যাপক প্রচারণা চালানো দরকার ছিল।
বিআইডব্লিউটিএ পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বলেন, এখান থেকে আশেপাশের যাত্রীর, বিশেষ করে মোহাম্মদপুর, সাভার, মিরপুর, গাবতলী, আগারগাঁওয়ের যাত্রীরা এই ঘাট থেকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে পারবে। সরকারের নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও ঈদ উপলক্ষ্যে এখানে ভাড়া কমানো হয়েছে।
ঈদ উপলক্ষ্যে এই ঘাটটি দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পার্মানেন্ট থাকবে কিনা এটা এখনও বলা যাচ্ছে না। এখানে যাত্রী কম হলেও সদরঘাট থেকে যাত্রী পাওয়া যাবে। প্রচার, প্রচারণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া বা মোবাইলে মেসেজ করলে আরো ভালো হতো।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বসিলা ঘাটে যাত্রীদের তুলনায় দর্শক বেশি। প্রথম দিনের যাত্রী সংখ্যা তুলনামূলক হার অনেক কম বলে মনে করছেন ঘাটে আসা লোকজন। লঞ্চ দেখতে আসা শারমিন আক্তার বলেন, আমরা দেখতে এসেছি। লালমোহন রুটে লঞ্চ আছে কিনা দেখতে এসেছি। ঘোষের হাট, লালমোহন, নাজিরপুর ঘাটের লঞ্চ দিলে যাত্রীর অভাব হতো না বলে জানান রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বেতুয়া লঞ্চ ঘাটের একটি লঞ্চ দিলেই যাত্রীর অভাব হবে না।
আরআই/টিকে