© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রেললাইনে কাজের কারণে টানানো ছিল লাল পতাকা, খেয়াল না করায় দুর্ঘটনা

শেয়ার করুন:
রেললাইনে কাজের কারণে টানানো ছিল লাল পতাকা, খেয়াল না করায় দুর্ঘটনা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৫৮ পিএম | ১৮ মার্চ, ২০২৬
বগুড়ার আদমদিঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম তিলকপুর নামক স্থানে লাইনচ্যুত হওয়া নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নয়টি বগি উদ্ধারের চেষ্টা করছে উদ্ধারকারী ট্রেন।

বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় পাবনার ঈশ্বরদী থেকে আসা উদ্ধারকারী ট্রেন এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সান্তাহার রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন বলেন, আরও একটি উদ্ধারকারী ট্রেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে আসছে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।

এর আগে বুধবার দুপুর আড়াইটায় ওই ট্রেনটির নয়টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ সময় ট্রেনটির ছাদে থাকা যাত্রীদের অনেকে নিচে পড়ে, আবার অনেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হন। বগিগুলো লাইনচ্যুত হওয়ায় উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও জয়পুরহাটের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দিনাজপুরের রেল যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

তবে ঢাকা-রংপুর-লালমনিটরহাট লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যেখানে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে, ওই স্থানে রেললাইনের মেরামত কাজ চলছিল। লাল পতাকা টানানো ছিল। তবে চালক খেয়াল না করায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ট্রেনের চালক ও স্টাফরা পালিয়েছেন।

ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার সময় ট্রেনের ছাদে থাকা ও ভেতরে থাকা অর্ধ শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতাল ছাড়াও নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সান্তাহার রেলওয়ে থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, এখানে রেললাইনে মেরামতের কাজ চলছিল এবং সামনে লাল পতাকা দেওয়া ছিল। কিন্তু চালক দ্রুতগতিতে আসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রেনটির নয়টি বগি লাইনচ্যুত অবস্থায় আছে।

এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ট্রেনের ছাদে অনেক মানুষ থাকায় ছাদ থেকে পড়ে অনেকে আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ট্রেনের কোনো স্টাফকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

নওগাঁ ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক রেজাউল করিম বলেন, আমরা দুপুর সোয়া ২টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পাই। আমাদের চারটি ইউনিট উদ্ধার কাজ করছে। আমরা প্রত্যেকটা বগি তল্লাশি করছি। ৪৭ জনকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একজনের অবস্থা গুরুতর। এছাড়া স্থানীয়রাও কয়েকজনকে হাসপাতালে নেন।

আইকে/টিকে

মন্তব্য করুন