© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

দিদির মনের অনেক জোর, সেই গুণটা যদি আমি পেতাম ভাল হতো: ঈশিতা

শেয়ার করুন:
দিদির মনের অনেক জোর, সেই গুণটা যদি আমি পেতাম ভাল হতো: ঈশিতা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৪৩ পিএম | ১৯ মার্চ, ২০২৬
তনুশ্রী দত্তের জন্মদিন ঘিরে এ বছরও পরিবারের ভেতরে খুব বড় কোনো আয়োজন নেই, কিন্তু স্মৃতির ভাঁজে জমে থাকা বহু ছোট ছোট মুহূর্ত যেন নতুন করে ফিরে এল তাঁর বোন ঈশিতা দত্তের কথায়। বহু দিন বড়পর্দা থেকে দূরে থাকা তনুশ্রীকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ঈশিতা জানালেন, তাঁদের বাড়িতে জন্মদিন মানেই বরাবরই ছিল খুব সাধারণ আয়োজন একটা কেক, কয়েকজন ঘনিষ্ঠ মানুষ আর পরিবারের একসঙ্গে থাকা।

ঈশিতার কথায়, এখনকার মতো ছোটবেলায় জন্মদিন ঘিরে এত বাড়তি উচ্ছ্বাস ছিল না। তবু প্রতি বছরই কেক আসত, বন্ধুরা জড়ো হতো, আর দুই বোনের জন্মদিন একই রকম আন্তরিকতায় কাটত। তাঁর কাছে তনুশ্রী শুধু দিদি নন, অনেকটা মায়ের মতোও। সংসারে বড় বোনের দায়িত্ব যেমন ছিল, তেমনই ছিল ছোট বোনকে আগলে রাখার অভ্যাস।

শৈশবের স্মৃতি টেনে ঈশিতা বলেন, দুই বোনের মধ্যে ছোটখাটো ঝগড়া, মারামারি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। বয়সে ছোট হওয়ায় তিনিই বেশি আদর পেয়েছেন বলেও মনে করেন। তবে দিদির বন্ধুদের সঙ্গে সব জায়গায় যাওয়ার প্রবল ইচ্ছা ছিল তাঁর। সেই সময়ের একটি ঘটনার কথা মনে করে তিনি জানান, সাজসজ্জার নানা উপকরণ তখন এত সহজলভ্য ছিল না। তাই তনুশ্রী নিজের মতো করে তাঁর চুলে নতুন নতুন সাজ করার চেষ্টা করতেন। সেই অদ্ভুত সাজে স্কুলে গেলে সহপাঠীদের হাসাহাসি শুনে নিজেও হেসে ফেলতেন।



এই স্মৃতিচারণের মাঝেই উঠে এসেছে এক ধরনের আক্ষেপও। দীর্ঘদিন ক্যামেরার সামনে দেখা যাচ্ছে না তনুশ্রীকে। সেই অভাব স্পষ্ট ঈশিতার কথায়। তিনি চান, খুব শিগগিরই এমন একটি ছবির মাধ্যমে পর্দায় ফিরুন তাঁর দিদি, যা নতুন করে দর্শকের মনে জায়গা করে নেবে।

তবে অভিনয়ে ফেরার ইচ্ছার পাশাপাশি দিদির একটি গুণের কথাই সবচেয়ে বেশি তুলে ধরেছেন ঈশিতা। তাঁর মতে, পরিবারের সবার মধ্যে তনুশ্রীর মানসিক দৃঢ়তাই সবচেয়ে আলাদা। অন্যের উপর নির্ভর না করে একা ভ্রমণে বেরিয়ে পড়ার সাহস, নিজের সিদ্ধান্তে স্থির থাকা এই গুণটিই তাঁকে আলাদা করে। ঈশিতা স্বীকার করেন, তিনি নিজে অনেক ক্ষেত্রে অন্যের উপর নির্ভরশীল, একা কোথাও যাওয়ার সাহসও তেমন নেই। তাই জন্মদিনে দিদির কাছে তাঁর সবচেয়ে বড় চাওয়া, এই মনের জোরের কিছুটা যেন তিনিও পান।

পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন