© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গ্রাহকদের আস্থার সংকটে ডাচ-বাংলা, লেনদেনের সীমা কমল আরও

শেয়ার করুন:
গ্রাহকদের আস্থার সংকটে ডাচ-বাংলা, লেনদেনের সীমা কমল আরও

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:১১ এএম | ২৭ মার্চ, ২০২৬
বেসরকারি খাতের ডাচ-বাংলা ব্যাংকের আমানতকারী ও সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। হঠাৎ করে ব্যাংকটি ফান্ড ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে লেনদেনের নতুন সীমা (লিমিট) নির্ধারণ করায় গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এর আগেও ব্যাংকটি নিজেদের অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তরের সীমা কমিয়ে দিয়েছিল, যার ফলে অনেক গ্রাহক ব্যাংকটির ওপর আস্থা হারিয়েছেন। এবার নতুন করে ‘নেক্সাসপে’ অ্যাপের মাধ্যমে অন্য ব্যাংকে টাকা পাঠানোর লিমিট কমিয়ে দেওয়ায় ভোগান্তি ও আতঙ্ক দুই-ই বেড়েছে।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নতুন লিমিট বর্তমানে 'সাময়িকভাবে' কার্যকর থাকবে। নতুন নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী, অন্য ব্যাংকে টাকা পাঠানোর (Other Bank Transfer) ক্ষেত্রে এখন প্রতিবার সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা, দৈনিক সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ টাকা এবং মাসিক সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা লেনদেন করা যাবে।

উল্লেখ্য, তিন-চার মাস আগেও ব্যাংকটি নেক্সাসপে অ্যাপের মাসিক লেনদেন সীমিত করেছিল, যা নিয়ে তখনই গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের লোকাল অফিস ব্রাঞ্চের একজন গ্রাহক জানান, কয়েক মাস আগে লিমিট কমিয়ে দেওয়ায় তিনি বিপাকে পড়েছেন। আগে তিনি মাসে অনেকগুলো অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারতেন, যা এখন সম্ভব হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে গত ঈদের ঠিক আগেই তিনি ব্যাংকটির সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছেন।

ব্যাংকের গুলশান শাখার গ্রাহক খাদিজা জানান, "এভাবে লেনদেনের সীমা বারবার কমিয়ে দেওয়ার ফলে এই ব্যাংকে টাকা রাখা নিয়ে আমি অনিশ্চয়তায় ভুগছি। নিজের টাকা যদি নিজের সুবিধামতো ট্রান্সফার করতে না পারি, তবে সেই ব্যাংকের ওপর আস্থা রাখা কঠিন।"

গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মাঝেমধ্যে অ্যাপ বা সার্ভার আপগ্রেডেশনের নামে সেবা বন্ধ রাখা কিংবা লিমিট কমিয়ে দেওয়ার ফলে সাধারণ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়ছেন। জরুরি প্রয়োজনে বড় অঙ্কের লেনদেন করতে না পেরে অনেকেই এখন ব্যাংকটির ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা নিয়ে গ্রাহকদের প্রচুর অভিযোগ দেখা যায়। বিশেষ করে এটিএম বুথে প্রায়শই সার্ভার জটিলতা দেখা দেওয়া এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন