© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘ঝুঁকিপূর্ণ’ চাঁদপুরেও চলছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

শেয়ার করুন:
‘ঝুঁকিপূর্ণ’ চাঁদপুরেও চলছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৫১ পিএম | ০৫ এপ্রিল, ২০২৬
দেশের যেসব জেলায় শিশুদের মধ্যে হামের প্রকোপ বেড়েছে, তার মধ্যে অতিঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে রয়েছে চাঁদপুর। এরইমধ্যে সদর ও হাইমচর উপজেলা এবং চাঁদপুর পৌরসভাকে হামের টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

জেলার আট উপজেলার মধ্যে সদর ও হাইমচর উপজেলা ছাড়াও চাঁদপুর পৌরসভায় হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেশি। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ কমাতে স্বাস্থ্য বিভাগ ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. নূর আলম দীন জানান, চাঁদপুর সদর, পৌরসভা এবং হাইমচর উপজেলায় আগামী তিন সপ্তাহে প্রায় ৭২ হাজার শিশুকে এই টিকা দেয়া হবে।

চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহাবুবুর রহমান বলেন, আজ রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ২৬ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এছাড়া গত ৩০ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ৫৬ জন শিশু ভর্তি হয়েছিল, যার মধ্যে ৩০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

এদিকে সকালে চাঁদপুর পৌরসভার বড়স্টেশন এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট সলিমুল্লাহ সেলিম, সিভিল সার্জন ডা. নূরুল আলম দীন, পৌরসভা প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রি খীসা, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ফয়সাল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. মালিহা।

জেলা প্রশাসক বলেন, হামের প্রকোপ মোকাবেলায় সরকার কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমান টিকাদান কর্মসূচি সফল হলে ভবিষ্যতে শিশুদের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্বাস্থ্য বিভাগের সব মাঠকর্মীর ছুটি বাতিল করে তাদের দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, যাতে নির্ধারিত বয়সের সব শিশু টিকার আওতায় আসে।

সিভিল সার্জন ডা. নূর আলম দীন আরও বলেন, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে হামের টিকা দেয়া জরুরি। বিশেষ করে চাঁদপুর পৌরসভা, সদর ও হাইমচর উপজেলার ৭২ হাজার শিশু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ কারণে নির্ধারিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশাপাশি বিশেষ টিকাদান ক্যাম্প চালু করা হয়েছে, যা আগামী তিন সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন