জ্বালানি ও পরিবেশ গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি গবেষক
ছবি: সংগৃহীত
০১:৪৫ এএম | ২১ মে, ২০২৬
মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি গবেষক ড. মো. আবু জায়েদ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক গবেষণায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি লাভ করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘২০২৬ গ্লোবাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড।’
তিনি মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধীনস্থ রিসার্চ সেন্টার ফর ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড এনার্জি টেকনোলজি (আরসিএনএমইটি)-এর গবেষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক এ পুরস্কারটি তাকে প্রদান করা হয়েছে জ্বালানি ও পরিবেশ গবেষণায় অসাধারণ অবদান, আন্তঃবিষয়ক উদ্ভাবন এবং নৈতিক একাডেমিক নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ। তার গবেষণায় শিল্পখাতের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সমন্বয় ঘটিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় টেকসই ও কার্যকর সমাধান উদ্ভাবনের চেষ্টা করা হয়েছে।
ড. মো. আবু জায়েদের গবেষণার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি শুধু গবেষণাগারভিত্তিক নয়, বরং শিল্প ও সমাজে বাস্তব প্রয়োগযোগ্য প্রযুক্তি উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে তার কাজ আন্তর্জাতিক গবেষণা মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষার্থী কল্যাণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলা এবং মূল্যবোধনির্ভর নেতৃত্বের প্রতিও তার অঙ্গীকার তাকে একজন উদীয়মান বৈশ্বিক একাডেমিক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
গ্লোবাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ডসের মুখপাত্র অ্যালেক্স স্টার্লিং বলেন, ড. মোহাম্মদ আবু জায়েদ বৈজ্ঞানিক কঠোরতা, নৈতিক নেতৃত্ব এবং দূরদর্শী উদ্ভাবনের এক অনন্য সমন্বয়ের উদাহরণ। টেকসই জ্বালানি ও পরিবেশগত সমাধান নিয়ে তার কাজই এই পুরস্কারের মূল চেতনাকে প্রতিনিধিত্ব করে।
এর আগে ড. মো. আবু জায়েদ ‘ওবাদা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ’ অর্জন করেও আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। নতুন এই স্বীকৃতি তার গবেষণা ও নেতৃত্বের ধারাবাহিক সাফল্যের আরেকটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এদিকে টেকসই জ্বালানি গবেষণায় বিশ্বসেরার আসন ধরে রেখে নতুন ইতিহাস গড়া সানওয়ে ইউনিভার্সিটির বিশিষ্ট বিজ্ঞানী বাংলাদেশি অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান বলেন, ড. মো. আবু জায়েদ একজন বাংলাদেশি গবেষকের এ অর্জন দেশের জন্যও গৌরবের। আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনের অঙ্গনে বাংলাদেশি তরুণ গবেষকদের সম্ভাবনা তুলে ধরতেও এ সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ইউটি/টিএ