© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বন্ধ 'চিরসখা', কাজ হারিয়ে বেকার ভাতা চাইলেন ভিভান

শেয়ার করুন:
বন্ধ 'চিরসখা', কাজ হারিয়ে বেকার ভাতা চাইলেন ভিভান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৫০ পিএম | ০৮ এপ্রিল, ২০২৬
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুকে ঘিরে টলিপাড়ায় চলমান অস্থিরতার মধ্যেই একের পর এক ধারাবাহিক বন্ধ হওয়ার খবর নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে শিল্পী মহলে। ‘ভোলে বাবা পার করেগা’র পর এবার বন্ধের মুখে ‘চিরসখা’। আর সেই পরিস্থিতিতেই সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ, হতাশা আর অনিশ্চয়তার কথা প্রকাশ করলেন ধারাবাহিকটির অভিনেতা ভিভান ঘোষ, যিনি দর্শকের কাছে ‘বুবলাই’ চরিত্রে পরিচিত।

নিজের সামাজিক মাধ্যমের পাতায় ভিভান লিখেছেন, বেকার ভাতার ফর্ম কোথায় পাওয়া যায়, কেউ জানালে উপকার হয়। কারণ আজ থেকে ‘চিরসখা’র সকলে কার্যত বেকার। সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁদের দোষটা ঠিক কোথায় ছিল। তাঁর এই মন্তব্য সামনে আসতেই নেটমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। কেউ সহানুভূতি জানিয়েছেন, আবার কেউ কটাক্ষ করে মনে করিয়ে দিয়েছেন কাজ হারানোর যন্ত্রণা নতুন কিছু নয়, সমাজের বহু মানুষই প্রতিদিন সেই বাস্তবতার মুখোমুখি হন।

কয়েক দিন আগেই সাংবাদিক বৈঠকে প্রযোজক সংগঠন ও ইমপার সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, রাহুলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সামনে না আসা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থা কিংবা তাদের সঙ্গে যুক্ত কারও সঙ্গে কাজ করবেন না টলিপাড়ার শিল্পী ও কলাকুশলীরা। সেই সিদ্ধান্তের জেরেই ওই সংস্থার অধীনে চলা ধারাবাহিকগুলির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। যদিও স্টুডিয়োপাড়ায় শুরু হওয়া অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পরে প্রত্যাহার করা হয়েছে, তবু কাজ হারানোর আশঙ্কা কাটেনি বহু শিল্পী ও প্রযুক্তিকর্মীর।



এই আবহেই ভিভানের পোস্ট ঘিরে আলোচনার ঝড় ওঠে। মন্তব্যের ঘরে কেউ লিখেছেন, চাকরি হারানো বহু মানুষের মতো তাঁরাও এখন সেই বাস্তবতা বুঝতে পারছেন। আবার কেউ মনে করিয়ে দিয়েছেন, রাহুলেরও কোনও দোষ ছিল না, কিন্তু তিনি জীবনটাই হারিয়েছেন সেই ক্ষতির সঙ্গে কোনও তুলনা চলে না।

তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও ম্যাজিক মোমেন্টস এবং লীনা গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রকাশ্যে নিজের মত জানিয়েছিলেন ভিভান। তিনি লিখেছিলেন, গত দেড় বছরে এই সংস্থার সঙ্গে কাজ করে শিল্পীদের সম্মান দেওয়ার যে পরিবেশ তিনি পেয়েছেন, তা অন্য অনেক প্রযোজনা সংস্থার তুলনায় আলাদা। তাঁর দাবি, এখানকার কাজের পরিবেশের কারণেই সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় ও মাধবী মুখোপাধ্যায়ের মতো প্রবীণ শিল্পীরাও এই সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ শিল্পী মহলে সবসময়ই থাকে।

কিন্তু পরিস্থিতি এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যেখানে প্রশংসা বা অভিজ্ঞতার কথা ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা। ‘চিরসখা’ বন্ধ হলে শুধু পর্দার গল্প থামবে না, থমকে যাবে বহু মানুষের নিয়মিত জীবিকাও। আর সেই বাস্তবতাই এক বাক্যে তুলে ধরেছেন ভিভান বেকার ভাতার ফর্মের খোঁজ করে।

পিআর/এসএন


মন্তব্য করুন