© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আশা ভোসলের কোন গান সেরা, জানালেন তিন সঙ্গীতশিল্পী

শেয়ার করুন:
আশা ভোসলের কোন গান সেরা, জানালেন তিন সঙ্গীতশিল্পী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৪৯ পিএম | ১২ এপ্রিল, ২০২৬
সুরের জগতে এক অনন্য অধ্যায়ের নাম আশা ভোসলে। তার প্রয়াণের পর স্মৃতির ভাণ্ডার থেকে একে একে উঠে আসছে অগণিত গানের গল্প, আবেগ আর শ্রদ্ধা। সেই আবহেই কলকাতার তিন বিশিষ্ট সঙ্গীতকার দেবজ্যোতি মিশ্র, রূপম ইসলাম এবং অনুপম রায় তাদের প্রিয় আশার গানগুলির তালিকা সামনে আনলেন।



আশা ভোসলের কণ্ঠের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল তার বহুমুখিতা। একই সঙ্গে চঞ্চল আধুনিক গান থেকে গভীর আবেগঘন গজল সব ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সমান সাবলীল। এই বৈচিত্র্যই তাঁকে করে তুলেছিল প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে প্রিয়।

দেবজ্যোতি মিশ্র, যিনি আশার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন, স্মৃতিচারণায় তুলে ধরেছেন তার নিঃস্বার্থ সঙ্গীতপ্রেম। তাঁর মতে, যে সুরকারের সঙ্গেই কাজ করেছেন, তাকেই সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছেন আশা। কখনও পারিশ্রমিকের কথা না ভেবেও শুধুমাত্র গানের টানে কণ্ঠ দিয়েছেন। তার পছন্দের তালিকায় রয়েছে ‘দম মারো দম’, ‘চোখে চোখে কথা বলো’, ‘আ জা আ জা’, ‘জীবনগান গাহে কে যে’ এবং ‘মেরা কুছ সামান’।



অন্যদিকে রূপম ইসলামের কাছে আশার গায়কী মানেই সুরের সঙ্গে অভিনয়ের এক অনন্য মিশেল। তিনি মনে করেন, গান গাইতে গাইতে চরিত্র হয়ে ওঠার ক্ষমতা খুব কম শিল্পীরই থাকে। তার পছন্দের তালিকায় জায়গা পেয়েছে ‘পিয়া তু অব তো আজা’, ‘চুরা লিয়া হ্যায়’, ‘রাত বাকি বাত বাকি’, ‘তোমারি চলার পথে’ এবং ‘তোলো ছিন্নবীণা’।

অনুপম রায়ের মতে, আশার মতো বহুমাত্রিক প্রতিভা খুব কমই জন্মেছে এই উপমহাদেশে। এমন কোনও ঘরানা নেই, যেখানে তিনি স্বচ্ছন্দ ছিলেন না। তার প্রিয় পাঁচ গানের তালিকায় রয়েছে ‘ও মেরে সোনা রে’, ‘কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে’, ‘চৈন সে হামকো কভি’, ‘আও হুজুর তুমকো’ এবং ‘দিল চীজ কেয়া হ্যায়’।

তিন প্রজন্মের এই তিন সঙ্গীতকারের পছন্দে আলাদা আলাদা স্বাদ থাকলেও একটি জায়গায় মিল স্পষ্ট আশা ভোসলের কণ্ঠের জাদু। যে জাদু সময়কে অতিক্রম করে আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর গান শুধু সুর নয়, অনুভূতির এক দীর্ঘ যাত্রা, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলেছে।

পিআর/টিএ

মন্তব্য করুন