পরমব্রত-দেবাদৃতা জুটি নিয়ে নতুন চর্চা!
ছবি: সংগৃহীত
০৮:২০ পিএম | ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
সমাজের প্রচলিত ‘ট্যাবু’ ভেঙে নতুন ধরনের সম্পর্কের গল্প বলছে ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’। আর সেই গল্প ঘিরেই এখন টেলিভিশন দুনিয়ায় তৈরি হয়েছে নতুন চর্চা আধুনিক শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ কি সত্যিই বদলাতে পারছে তার মানসিকতা?
ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্র সাগর, যিনি বিবাহিত এবং এক কন্যার পিতা। তার জীবনেই আসে সহকর্মী পল্লবীর উপস্থিতি। ছোট মেয়ের স্নেহ এবং পারিবারিক পরিস্থিতির কারণে সাগর-পল্লবীর সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয় নতুন সমীকরণ। কিন্তু সমস্যার মূল জায়গা হয়ে দাঁড়ায় সমাজ ও পরিবারের আপত্তি, বিশেষ করে সাগরের অতীত বিবাহিত জীবন এবং সন্তানের বিষয়টি।

এই গল্পেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাচ্ছে দেবাদৃতা বসু এবং পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়কে। ধারাবাহিকের মাধ্যমে এই প্রথম জুটি বাঁধলেন তাঁরা। গল্পে পল্লবী কি সাগরের দ্বিতীয় স্ত্রী হতে রাজি হবেন, নাকি ভেঙে দেবে সামাজিক বাধা সেই প্রশ্নই এখন দর্শকের মনে।
এই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী দেবাদৃতা বসু জানিয়েছেন, ধারাবাহিকটি মূলত সমাজের বহু প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্ন করার চেষ্টা করছে। তাঁর মতে, আজও অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারে দ্বিতীয় বিয়ে বা পূর্বের সম্পর্ক থাকা ব্যক্তিকে গ্রহণ করতে আপত্তি দেখা যায়। সেই বাস্তবতাকেই গল্পে তুলে ধরা হচ্ছে।
বাস্তব জীবনে এমন পরিস্থিতি এলে তিনি কী করতেন এই প্রশ্নের উত্তরে দেবাদৃতা জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে এমন মানসিকতার বিরোধী, যা মানুষকে অতীতের ভিত্তিতে বিচার করে। তাঁর মতে, মানুষের বর্তমান আচরণ এবং সম্পর্কই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
ধারাবাহিকের মাধ্যমে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন দেবাদৃতা। তিনি জানান, নতুন এই কাজের পরিবেশে অভিজ্ঞ অভিনেতাদের কাছ থেকে তিনি অনেক কিছু শিখছেন এবং কাজের পরিবেশ অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ।
ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, পল্লবীর পরিবার প্রথমে এই সম্পর্ক মেনে নিতে নারাজ। বিশেষ করে পল্লবীর দাদা-ভাইয়েরা এই সম্পর্ক নিয়ে কটাক্ষও করেন। তবে গল্প এগোলে সম্পর্কের এই জটিলতা কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
‘কমলা নিবাস’ মূলত সমাজের চিন্তাধারা, সম্পর্ক এবং গ্রহণযোগ্যতার সীমারেখা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, যা টেলিভিশন দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পিআর/টিএ