© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘দেশু ৭’-এর মাধ্যমে ছবিতে ‘প্রত্যাবর্তন’ প্রসঙ্গে কী বললেন অনির্বাণ?

শেয়ার করুন:
‘দেশু ৭’-এর মাধ্যমে ছবিতে ‘প্রত্যাবর্তন’ প্রসঙ্গে কী বললেন অনির্বাণ?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:১২ পিএম | ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
টলিউডে দীর্ঘদিন ধরে চলা ‘নিষিদ্ধ সংস্কৃতি’ বা ‘ব্যান কালচার’ নিয়ে ফের নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। পরিচালক ও প্রযোজক দেবের আসন্ন ছবি ‘দেশু ৭’-এ অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যের যুক্ত হওয়া ঘিরে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের পুরনো বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ইন্ডাস্ট্রিতে বহুদিন ধরে চলা এই অঘোষিত নিষেধের অধ্যায় শেষ হতে চলেছে?

অনির্বাণ ভট্টাচার্য, যাঁর সঙ্গে একসময় টেকনিশিয়ান সংগঠনের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে কাজের জটিলতা তৈরি হয়েছিল বলে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে আলোচনা ছিল, এবার দেবের ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় ফিরছেন। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে টলিউডে নতুন করে আশার আলো দেখছেন অনেকেই।



সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই প্রসঙ্গে মুখ খোলেন অনির্বাণ। তিনি স্পষ্ট জানান, ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন সংগঠন যেমন আর্টিস্ট ফোরাম ও ফেডারেশন নিয়মিত বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে। তবে এই সমস্যার সমাধান বা তার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা সংগঠনের সদস্যরাই ভালো বলতে পারবেন বলে মত তাঁর। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি জানান, তিনি এই ধরনের বৈঠকে অংশ নেন না, তাই পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

তবে তিনি এটাও পরিষ্কার করে দেন যে, তাঁর মূল লক্ষ্য কাজ করা। দর্শকের কাছে ভালো অভিনয় পৌঁছে দেওয়াই তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য। ‘দেশু ৭’-এ কাজ করার সুযোগ পাওয়া তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান অনির্বাণ।

অন্যদিকে দেবের ঘোষণার পর থেকেই ইন্ডাস্ট্রিতে ‘ব্যান কালচার’ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। দেব আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এই ধরনের অঘোষিত নিষেধের সংস্কৃতি আর থাকা উচিত নয় এবং আলোচনার মাধ্যমে বহু শিল্পীকে আবার কাজের সুযোগ দেওয়া হবে। এই ঘোষণার পর অনির্বাণের নাম সামনে আসতেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি সত্যিই সেই অচলাবস্থা কাটতে চলেছে?

অনির্বাণ জানান, দেবের সঙ্গে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা আগেও ভালো ছিল এবং নতুন ছবির চরিত্র নিয়েও তিনি আশাবাদী। তাঁর মতে, এটি তাঁর কেরিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

তবে ফেডারেশনের তরফে এই নতুন পরিস্থিতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে ইন্ডাস্ট্রির এই জটিল সমীকরণ এখনো পুরোপুরি সমাধানের পথে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

পিআর/টিএ

মন্তব্য করুন