© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

চিকিৎসা নিশ্চিতে আমরা প্রাইভেট পার্টনারশিপ তৈরির চেষ্টা করছি: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
চিকিৎসা নিশ্চিতে আমরা প্রাইভেট পার্টনারশিপ তৈরির চেষ্টা করছি: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:২২ পিএম | ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা প্রাইভেট পার্টনারশিপ তৈরির চেষ্টা করছি। সরকারি হাসপাতালে অনেক রোগী আসেন। অনেকে সেবা থেকে বঞ্চিত হন। কারণ হাসপাতালের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী বাড়তি রোগী সামলানো সম্ভব হয় না। তাই প্রথম পর্যায়ে গুরুতর বিবেচনায় ভর্তি হওয়া রোগীদের বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর পরিকল্পনা করছি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ২টায় যশোর মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের নির্মাণকাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাইভেটে ভর্তি রোগীরা সরকারের খরচে চিকিৎসা পাবেন। আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যেই এ পদ্ধতি আমরা চালু করতে চাই। এতে সরকার সবার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারবে এবং একটি সুস্থ জাতি গঠনে তা সহায়ক হবে।’

তিনি বলেন, ‘যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণকাজ যখন শেষ হবে, স্বাভাবিকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০০ রোগীর ব্যান্ডেজ, ওষুধ বা অপারেশন থিয়েটারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে। হয়তো দেখা যাবে রোগীর সংখ্যা আস্তে আস্তে বাড়ছে; কিন্তু সরকারেরও একটি নির্দিষ্ট সক্ষমতা আছে। এ জন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, রোগ প্রতিরোধের ওপর জোর দেব। বড় বড় অসুখ থেকে কীভাবে দূরে থাকা সম্ভব, সে বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করব।’

যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার যশোরে ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পূরণ করল। এটি ছিল যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি।

যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত নির্বাচনী প্রচারণাকালে এলাকাবাসীর কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি ও তার দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে যশোরে ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। গত ২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী প্রচারণার সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসন হিসেবে তারেক রহমানও একই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণের মধ্য দিয়ে যশোরের মানুষের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন তিনি। একই সাথে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে স্থবির থাকা যশোরের উন্নয়নের চাকা নতুন গতি পেল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (সেবা) অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. রেজাউল করিম প্রমুখ।

টিজে/এসএন 

মন্তব্য করুন