বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচের আগে এমবাপ্পেকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় রিয়াল
ছবি: সংগৃহীত
০৪:০৫ এএম | ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
লা লিগার শিরোপা যে বার্সেলোনার ঘরে যাচ্ছে তা অনেকটাই নিশ্চিত। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আর কোপা দেল রে থেকেও বাদ পড়ায় এই মৌসুমেও শিরোপাহীন থাকতে হতে পারে রিয়াল মাদ্রিদকে। লা লিগায় আকর্ষণ বলতে মৌসুমের শেষ এল ক্লাসিকো। মর্যাদার এই লড়াইয়ের আগে বড় ধাক্কা খেয়েছে মাদ্রিদের জায়ান্টরা।
গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) লা লিগার ম্যাচে রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ১-১ গোলে রিয়ালের ড্রয়ের ম্যাচে চোট পান কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই চোটেই তার আসন্ন এল ক্লাসিকোয় খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
লা লিগার ওই ম্যাচের শেষ দিকে বাম পায়ে অস্বস্তি অনুভব করে নিজেই বদলির আবেদন করেন এমবাপ্পে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে ক্লাবের ট্রেনিং সেন্টারে বিস্তারিত পরীক্ষা শেষে এই ফরাসির ক্লাব জানায়, তিনি পেশির সমস্যায় ভুগছেন।
এমবাপ্পের মেডিক্যাল রিপোর্টে বলা হয়েছে, 'আজ আমাদের খেলোয়াড় কিলিয়ান এমবাপ্পের ওপর রিয়াল মাদ্রিদের মেডিক্যাল সার্ভিসেস যে পরীক্ষা চালিয়েছে, তাতে তার বাম পায়ের সেমিটেনডিনোসাস মাংসপেশিতে চোট ধরা পড়েছে। তার অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।'
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার তথ্য অনুযায়ী, এমবাপ্পে এস্পানিওলের বিপক্ষে আসন্ন ম্যাচে খেলতে পারবেন না, তবে ১০ মে বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচে ফেরার আশা রয়েছে।

রিয়ালে নিজের শততম ম্যাচে চোটের শঙ্কায় এমবাপ্পে নিজেই মাঠ ছাড়তে চেয়েছিলেন। প্রাথমিক আল্ট্রাসাউন্ডে বড় সমস্যা ধরা না পড়লেও, মৌসুমের বাকি সময় ও আসন্ন বিশ্বকাপ সামনে রেখে আরও পরীক্ষা করা হয়।
ম্যাচ শেষে কোচ আলভারো আরবেলোয়া বলেন, 'আমি এখনই কিছু বলতে পারছি না। সে অস্বস্তি অনুভব করছিল। আগামী কয়েকদিনে পরিস্থিতি বোঝা যাবে।' বদলির পর সরাসরি ড্রেসিংরুমে গিয়ে চিকিৎসা নেন এমবাপ্পে।
আগামী ১০ মে ক্যাম্প ন্যুয়ে বার্সেলোনার মুখোমুখি হবে রিয়াল। শিরোপা দৌড়ে পিছিয়ে থাকলেও এই ম্যাচের গুরুত্ব অপরিসীম। হাতে প্রায় দুই সপ্তাহ সময় থাকায় এমবাপ্পের ফেরার একটা সম্ভাবনা এখনো রয়েছে।
এই খবর নজরে রেখেছে ফ্রান্সও, সামনেই ২০২৬ বিশ্বকাপ। এই মৌসুমে এরই মধ্যে ৪০টির বেশি গোল করা এমবাপ্পে কোচ দিদিয়ের দেশামের দলের মূল ভরসা।
রদ্রিগোর মতো খেলোয়াড় দীর্ঘমেয়াদি চোটে থাকায় রিয়ালের আক্রমণভাগ এমনিতেই চাপে রয়েছে। তাই এস্পানিওলের বিপক্ষে ম্যাচে রোটেশন করা হলেও, সবার নজর এখন এমবাপ্পের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার দিকেই।
এসকে/টিএ