মাইকেল জ্যাকসনের প্রিয় পোষ্য ‘বাবল্স’ কী এখনও বেঁচে আছে?
ছবি: সংগৃহীত
১১:০১ এএম | ১০ মে, ২০২৬
পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে তৈরি নতুন জীবনীচিত্র মুক্তির পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের নানা অজানা অধ্যায়। আর সেই তালিকায় সবচেয়ে বেশি কৌতূহল তৈরি করেছে তাঁর অত্যন্ত প্রিয় পোষ্য শিম্পাঞ্জি ‘বাবল্স’কে ঘিরে। বহু বছর আগে মাইকেলের ছায়াসঙ্গী হয়ে ওঠা সেই শিম্পাঞ্জি এখন কেমন আছে, আদৌ বেঁচে আছে কি না সেই প্রশ্নই ঘুরছে অনুরাগীদের মনে।
জানা গেছে, বাবল্স এখনও জীবিত। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে টেক্সাসের একটি গবেষণা কেন্দ্র থেকে শিম্পাঞ্জিটিকে নিয়ে আসেন মাইকেল জ্যাকসন। এরপর প্রায় সন্তানের মতো করেই তাকে বড় করেছিলেন তিনি। নেভারল্যান্ড র্যাঞ্চে মাইকেলের সঙ্গে বিলাসবহুল জীবন কাটাত বাবল্স। বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সফর এমনকি ব্যক্তিগত সময়েও প্রায় সবসময় মাইকেলের সঙ্গেই দেখা যেত তাকে।
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাবল্সের আচরণে পরিবর্তন আসে। বয়স বাড়ার কারণে শারীরিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে সে। পাশাপাশি কিছুটা আক্রমণাত্মক আচরণও শুরু করে বলে জানা যায়। নিরাপত্তার কথা ভেবেই শেষ পর্যন্ত তাকে বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০০৫ সাল থেকে ফ্লোরিডার একটি প্রাণী সুরক্ষা কেন্দ্রে রয়েছে বাবল্স। সেখানে বিশেষ পরিচর্যার মধ্যেই দিন কাটছে তার। মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর পরও তার দেখাশোনার সমস্ত খরচ বহন করছে গায়কের এস্টেট।
সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া মাইকেলের জীবনীচিত্রেও বাবল্সকে দেখানো হয়েছে। শুধু বাবল্স নয়, মাইকেলের আরেক পোষ্য ‘মাসল্স’-কেও রাখা হয়েছে ছবিতে। যদিও বাস্তব প্রাণী নয়, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে তাদের উপস্থিতি।
মাইকেল জ্যাকসনের জীবনে বাবল্স শুধুই একটি পোষ্য ছিল না, বরং ছিল তাঁর আবেগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই নতুন সিনেমার সূত্র ধরে আবারও বিশ্বজুড়ে আলোচনায় উঠে এসেছে এই শিম্পাঞ্জির নাম।
পিআর/টিকে