© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

শেয়ার করুন:
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:১৫ পিএম | ১৩ মে, ২০২৬
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে খুব অল্প বয়সে গভীর ছাপ রেখে যাওয়া কবিদের নাম উচ্চারণ করলে সবার আগে উঠে আসে সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর নাম। মাত্র দুই দশকের জীবনে তিনি এমন কিছু কবিতা লিখে গেছেন, যা আজও সংগ্রাম, বিদ্রোহ আর মানবমুক্তির প্রতীক হয়ে আছে।

ব্রিটিশ শাসন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, সাম্রাজ্যবাদ এবং সমাজের বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনী ছিল তীব্র প্রতিবাদের ভাষা। সেই কারণেই বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘তরুণ নজরুল’ ও ‘কিশোর বিদ্রোহী কবি’ নামে। কৈশোর থেকেই সাহিত্যচর্চা শুরু করলেও তাঁর সাহিত্যজীবন স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ছয় বছরের মতো। কিন্তু এই স্বল্প সময়েই তিনি কবিতা, গান, গল্প, প্রবন্ধ ও নাটকে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন।

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি-র আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৪৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির সদস্য হন সুকান্ত। তাঁর কবিতায় ক্ষুধার্ত মানুষের আর্তনাদ, শ্রমজীবী মানুষের স্বপ্ন এবং শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বারবার উঠে এসেছে। ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’ কিংবা ‘পূর্বাভাস’-এর মতো কাব্যগ্রন্থ বাংলা সাহিত্যে আজও সমান প্রাসঙ্গিক।



জীবদ্দশায় তাঁর কবিতার খুব বেশি চর্চা না হলেও মৃত্যুর পরই সুকান্ত হয়ে ওঠেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবি। তাঁর অধিকাংশ কাব্যগ্রন্থই প্রকাশিত হয় মৃত্যুর পরে। সেই লেখাগুলোই পরবর্তী সময়ে সমাজ পরিবর্তনের প্রেরণা হয়ে ওঠে বহু তরুণের কাছে।

১৯৪৭ সালের এই দিনে মাত্র ২০ বছর বয়সে অন্ত্রের যক্ষ্মায় মারা যান সুকান্ত ভট্টাচার্য। কেউ কেউ অবশ্য তাঁর বয়স ২১ বলেও উল্লেখ করেন। অল্প বয়সে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও বাংলা কবিতার আকাশে তিনি আজও এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।

পিআর/টিএ

মন্তব্য করুন