© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

প্রথম স্ত্রী রিচার চিকিৎসার সময় পাশে ছিলেন না সঞ্জয়, মুখ খুললেন মেয়ে ত্রিশালা

শেয়ার করুন:
প্রথম স্ত্রী রিচার চিকিৎসার সময় পাশে ছিলেন না সঞ্জয়, মুখ খুললেন মেয়ে ত্রিশালা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৫৪ পিএম | ২২ মে, ২০২৬
মাত্র আট বছর বয়সেই মায়ের মৃত্যু। আর সেই শৈশবেই ভেঙে পড়েছিল জীবন। বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও অভিনেত্রী রিচা শর্মার মেয়ে ত্রিশালা দত্ত সম্প্রতি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের যন্ত্রণা ও বেড়ে ওঠার কঠিন অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত পেশায় সাইকোথেরাপিস্ট ত্রিশালা জানান, সঞ্জয় দত্তের সন্তান হওয়াটাই তাঁর জীবনের অন্যতম কঠিন অধ্যায়।

ত্রিশালার জন্মের পর খুব অল্প বয়সেই মা রিচা শর্মা ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হন। ১৯৯৬ সালে দীর্ঘ অসুস্থতার পর তাঁর মৃত্যু হয়। সেই সময় বাবার পাশে না পাওয়ার অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন ত্রিশালা। তাঁর কথায়, সেই সময় সঞ্জয় দত্ত কাজের কারণে বেশিরভাগ সময় ভারতে থাকতেন এবং খুব ব্যস্ত ছিলেন, যদিও মাঝেমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আসতেন। কিন্তু মায়ের অসুস্থতা ও মৃত্যুর সময় তিনি একাকীত্বের গভীর কষ্টে ভুগেছেন।

মায়ের মৃত্যু তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে বলে জানান ত্রিশালা। সেই শোক সামলাতে গিয়ে খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আসে তাঁর জীবনে। শূন্যতা কাটাতে অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে মানসিক ও শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্কুলজীবনেও সহপাঠীদের নানা প্রশ্ন ও কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে, যা তাঁর মানসিক যন্ত্রণা আরও বাড়িয়ে দেয়।

ত্রিশালা জানান, জীবনের এক পর্যায়ে তিনি এমন এক মানসিক অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিলেন যেখানে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে সময়ের সঙ্গে তিনি নিজেকে সামলে নেন এবং বর্তমানে পেশাগত জীবনে মনোনিবেশ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও অতীতের সেই স্মৃতি আজও তাঁকে তাড়া করে বলে উল্লেখ করেন তিনি।



অন্যদিকে, বড় হওয়ার পরেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। বিয়েসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কটাক্ষ ও মন্তব্য সহ্য করতে হয়েছে। তবে এসবকেই জীবনের অংশ হিসেবে মেনে নিয়েছেন ত্রিশালা।

এই প্রথমবার নয়, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে নিজের জীবনের কঠিন দিকগুলো নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সঞ্জয় দত্ত-কন্যা। তবে সাম্প্রতিক বক্তব্যে তাঁর শৈশবের যন্ত্রণা, পারিবারিক বিচ্ছেদ এবং মানসিক সংগ্রামের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

পিআর/টিকে

মন্তব্য করুন