© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঈদের আগে সুখবর দিল বাফুফে, ফুলহ্যামের সেরা প্রতিভা খেলতে রাজি বাংলাদেশের জার্সিতে

শেয়ার করুন:
ঈদের আগে সুখবর দিল বাফুফে, ফুলহ্যামের সেরা প্রতিভা খেলতে রাজি বাংলাদেশের জার্সিতে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৪০ পিএম | ২৬ মে, ২০২৬
ফেসবুকে বাংলাদেশের ফুটবল সংস্লিষ্ট গ্রুপগুলোতে গুঞ্জন চলছিল, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বড় সুখবর দিতে চলেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। অবশেষে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রাক্বালে সত্যিই সেই সুখবর দিল দেশের ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা। বাংলাদেশের ফুটবলে যুক্ত হচ্ছে আরও এক হাই প্রোফাইল প্রবাসী ফুটবলার। বাংলাদেশের হয়ে খেলতে রাজি হয়েছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ফুলহ্যামের অনূর্ধ্ব-২১ দলের অন্যতম সেরা প্রতিভা ফারহান আলি ওয়াহিদ।

বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম সোমবার (২৬ মে) জানিয়েছেন, ইংল্যান্ডের দুই প্রবাসী ফুটবলার ফারহান আলি ওয়াহিদ ও তার ভাই রায়ান আলি ওয়াহিদ বাংলাদেশের হয়ে খেলতে ইচ্ছাপোষণ করেছেন। তিনি আরও জানান, ফারহানকে জাতীয় দলে খেলানোর কথা চিন্তা করা হচ্ছে। অন্যদিকে রায়ানও বয়সভিত্তিক দলে খেলার জন্য সম্মত হয়েছেন।

ফিফা কংগ্রেসে যোগ দিতে কানাডায় অবস্থান করার সময় ফারহানের এজেন্টের কাছ থেকে মেইল পান ফাহাদ। এরপরই বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে কথা বলে তাকে দলে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেন বলে জানান তিনি। এই তরুণ ফুটবলার, তার পরিবার এবং এজেন্টকে নিয়ে জুম মিটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।


ফাহাদ বলেন, 'আমরা (এজেন্টের সঙ্গে) আলচনা করি এবং সম্মত হই যে, ফারহান, রায়ান এবং তার বাবাকে নিয়ে একই সঙ্গে জুম মিটিং করতে চাই, যেটা আমি সবসময়ই করি। কারণ খেলোয়াড়ের অভিভাবকের কনসেন্ট জরুরি, বিশেষ করে অরিজিন ফুটবলারের ক্ষেত্রে। আমি বাংলাদেশে ফিরে ১ তারিখে জুম মিটিং করি, যেখানে রায়ান, ফারহান ও তার বাবা ছিলেন, আরেক দিকে অ্যাডাম ছিলেন (এজেন্ট) আর আমি ছিলাম। আমরা ৪০-৪৫ মিনিট আমরা বিস্তারিত আলোচনা করি, যেখানে ফারহানের অনেক প্রশ্ন ছিল, রায়ানও কিছু কথা বলে এবং তাদের বাবা–যাকে আমি আব্দুল ভাই ডাকি–তিনিও অনেক কিছু জিজ্ঞাসা করেন এবং ভাবিও (ফারহানের মা) কিছু খোঁজ নেন।'

সেই মিটিং শেষেই ফারহানের বাবা তার দুই ছেলের বাংলাদেশের হয়ে খেলার ব্যাপারে সম্মতি দেন বলে জানান ফাহাদ। এটিকে নিজের সংগঠক ক্যারিয়ারের সেরা দিন বলেও আখ্যা দেন এই দেশের এই ফুটবল সংগঠক।ফাহাদ আরও বলেন, 'এরপর তাৎক্ষণিক আমরা তাদের দুজনের সকল ডকুমেন্টস সংগ্রহ করে ফেলি এবং কিছুটা প্রাথমিক কাজও আমরা এরই মধ্যে সম্পন্ন করেছি। আমরা আশা করছি ঈদের পরপরই তাদের কাজ একদম পুরোদমে হবে। আমরা খুবই আশাবাদী যে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে থেকে সর্বোচ্চ মাঝামাঝির মধ্যে তাদের উভয়েরই পাসপোর্ট সংক্রান্ত সকল কাগজ তৈরি হয়ে যাবে।'

এবি/টিএ

মন্তব্য করুন