© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

স্ত্রীর স্পর্শকাতর অঙ্গে ছুরিকাঘাত, আত্মগোপনেও রক্ষা হলো না পারভেজের

শেয়ার করুন:
স্ত্রীর স্পর্শকাতর অঙ্গে ছুরিকাঘাত, আত্মগোপনেও রক্ষা হলো না পারভেজের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৫৫ পিএম | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফেনীতে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতন এবং বুকে ও স্পর্শকাতর অঙ্গে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মো. পারভেজকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তাকে ফেনী মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত পারভেজ ফেনী শহরের বিরিঞ্চি এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।

এসআরবি জানায়, ২৯ আগস্ট ফেনী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, যৌতুকের দাবিতে ওই গৃহবধূর ওপর স্বামী পারভেজ নৃশংস নির্যাতন করেছে।

একপর্যায়ে তার বুকে ও স্পর্শকাতর অঙ্গে ছুরিকাঘাত করা হয়। ঘটনার পর থেকেই মামলার প্রধান আসামি পারভেজ আত্মগোপনে ছিলেন।

পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৭ এর একটি দল চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে সেখানকার শেভরণ হাসপাতালের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-৭ এর চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফফর হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৩ বছর আগে মো. পারভেজের সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর বিয়ে হয়। তাদের পরিবারে ১২ ও ৪ বছর বয়সী দুই সন্তান রয়েছে। আগে তারা দীর্ঘদিন ঢাকায় থাকতেন। পরে পারভেজ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং কোনো কাজ না করায় তার স্ত্রী ফেনীতে চলে যান। শহরের একাডেমি এলাকায় থেকে মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করে সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি।

সবশেষ ২৯ আগস্ট পারভেজ আকস্মিকভাবে তার স্ত্রীর বাসায় গিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে তার বুকে ও স্পর্শকাতর অঙ্গে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ফেনী মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন। তার স্ত্রীকে নির্যাতন করেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় আকলিমা ও পারুল নামে আরও দুইজন আসামি রয়েছেন।


এমআই/এসএন  

মন্তব্য করুন