© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

প্রাথমিক পর্যায়ে ডায়াবেটিস হয়েছে কি না, কীভাবে বুঝবেন? জানাচ্ছেন ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ হালিম খান

শেয়ার করুন:
প্রাথমিক পর্যায়ে ডায়াবেটিস হয়েছে কি না, কীভাবে বুঝবেন? জানাচ্ছেন ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ হালিম খান

ছবি: সংগৃহীত

শাহাবুদ্দিন শুভ সঞ্চালক ও সিইও, ডক্টরস এন মেডিসিন
১২:২০ পিএম | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
প্রশ্ন: প্রাথমিক পর্যায়ে একজন রোগীর ডায়াবেটিস হয়েছে কি না—তা কীভাবে শনাক্ত করা যায়? রোগী চিকিৎসকের কাছে এলে সাধারণত কী কী লক্ষণ দেখে ডায়াবেটিসের সন্দেহ করা হয় এবং কোন কোন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তা নিশ্চিতভাবে নির্ণয় করা হয়?

ডা. এম এ হালিম খান : আসলে আমাদের দেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ বা তারও বেশি রোগী টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। আর টাইপ-২ ডায়াবেটিসকে আমরা অনেক সময় ‘অ্যাসিম্পটোমেটিক’ বা উপসর্গহীন ডায়াবেটিস বলি। অর্থাৎ, অনেক রোগীর ক্ষেত্রেই ডায়াবেটিস থাকলেও শুরুতে তেমন কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না।

অনেক সময় রোগী অন্য কোনো সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে আসেন। রুটিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার অংশ হিসেবে রক্তের সুগার পরীক্ষা করা হলে দেখা যায়, তাঁর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। কিন্তু রোগী নিজেই জানেন না যে তিনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বিশেষ করে কোনো রোগীর অপারেশন করার আগে আমরা সাধারণত রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করি। তখন অনেক সময় দেখা যায়, রোগীর সুগার বেশি, অথচ তিনি আগে কখনো জানতেনই না যে তাঁর ডায়াবেটিস আছে।

একইভাবে, কোনো নারী হয়তো গাইনোকোলজিক্যাল সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলেন। চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা করালেন। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেল, তাঁর রক্তে সুগারের মাত্রা অনেক বেশি। অথচ তাঁর নিজের জানা ছিল না যে তিনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।

তাই টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে শুধু লক্ষণ দেখে রোগ শনাক্ত করা অনেক সময় সম্ভব হয় না। অনেক রোগীর কোনো স্পষ্ট উপসর্গই থাকে না। এ কারণেই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রক্তে গ্লুকোজ পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা অনেক বেশি এবং বিশেষ করে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত কিছু স্পষ্ট উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই কারও ঝুঁকি থাকলে বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন