© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

দখলমুক্ত সেগুনবাগিচার ফুটপাত, নতুন রূপ দিলো ডিএসসিসি

শেয়ার করুন:
দখলমুক্ত সেগুনবাগিচার ফুটপাত, নতুন রূপ দিলো ডিএসসিসি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৩৩ পিএম | ০৫ অক্টোবর, ২০২৬
রাজধানীর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সংস্কার করা এই ফুটপাতে নতুন ডাস্টবিন স্থাপন, পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বেঞ্চ নির্মাণ এবং সীমানা প্রাচীর সংস্কার করা হয়েছে। সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে সেখানে স্থান পেয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, সত্যজিৎ রায়, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ দেশের শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অবদান রাখা ১০ জন গুণী ব্যক্তিত্বের গ্রাফিতি।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সেগুনবাগিচায় উদ্ধার করা ফুটপাতের এ সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না। হকারদের জন্য নির্ধারিত বিকল্প স্থান রয়েছে, তাদের সেখানেই ব্যবসা করতে হবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় নিষিদ্ধ স্থানে বসলে মালামাল ক্রোকসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা কাউকে উচ্ছেদ করতে চাই না, কিংবা গরিব হকারদের পুঁজির ক্ষতি হোক-সেটাও আমাদের কাম্য নয়। এজন্যই তাদের বিকল্প জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। পীর ইয়ামেনী মাজার এলাকায় শুক্রবার ও শনিবার ‘হলিডে মার্কেট’-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য দিন আইডিয়াল স্কুলের বিপরীত পাশের সড়কের ফুটপাতে হকারদের বসার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে একাধিক আলোচনার মাধ্যমে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোথাও মূল রাস্তা বন্ধ করে বা অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো ফুটপাতে হকার বসানো যাবে না।

প্রশাসক উল্লেখ করেন, যে স্থান দিয়ে আগে মানুষ চলাচল করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করত না, নিরলস প্রচেষ্টায় সেটিকে হকারমুক্ত করা হয়েছে। শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন এই এলাকাটিকে একটি পরিচ্ছন্ন সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল হিসেবে গড়ে তুলতে চায় ডিএসসিসি। করপোরেশনের পক্ষ থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত এলাকাটি পরিষ্কার রাখবেন, তবে সৌন্দর্য ও পরিবেশ বজায় রাখতে শিল্পকলা একাডেমি ও সাধারণ নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

ঢাকাকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখতে সাংবাদিক, হকারসহ সর্বস্তরের নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ঢাকাকে ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন’ রাখা শুধু সরকারের একা নয়, আমাদের সকল ঢাকাবাসীর নাগরিক দায়িত্ব।


এমআই/এসএন  



মন্তব্য করুন