© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভমেট্রোরেলের ২ স্টেশন বন্ধ

শেয়ার করুন:
মেট্রোরেলের ২ স্টেশন বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৫৩ পিএম | ০১ নভেম্বর, ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের জেরে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে মেট্রোরেলের দুই স্টেশন। স্টেশনগুলো হলো মিরপুর-১১ ও পল্লবী। নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশন দুটিতে আপাতত ট্রেন থামছে না। যাত্রী ওঠানামাও বন্ধ রয়েছে। 

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে মেট্রোরেলের দায়িত্বশীল সূত্র দেশের একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছে।

সূত্রটি জানায়, ঘটনার পর পল্লবী, মিরপুর-১১ ও মিরপুর-১০ স্টেশনে সাময়িকভাবে ট্রেন থামানো বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে মিরপুর-১০ স্টেশনে আবারও ট্রেন থামানো শুরু হয়েছে। আপাতত পল্লবী ও মিরপুর-১১ স্টেশনে ট্রেন থামছে না। পরিস্থিতি বিবেচনায় যেকোনো সময় স্টেশন দুটি চালু করা হতে পারে।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আহসান উল্লাহ শরিফী জানিয়েছেন, ট্রেন চলছে। নিচের ইস্যুতে উপরের ট্রেন বন্ধ থাকবে কেন।

এমআরটি কন্ট্রোল রুম জানায়, মিরপুর এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা ও যাত্রীদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে মিরপুর-১১ ও পল্লবী স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত স্টেশনগুলোতে ট্রেন থামানো, যাত্রী ওঠানামা ও সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে মেট্রোরেলের অন্য স্টেশনগুলোতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে মিরপুর, সাভার ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি পালন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। এর ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল থেকে মিরপুরের ১০, ১১, ১২, ১৪ নম্বর এবং প্রশিকা মোড় এলাকায় সড়কে নামেন হাজারো শ্রমিক।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মিরপুর-১১ এলাকায় পুলিশ টিয়ার গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও ওয়াটার ক্যানন ব্যবহার করলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে উত্তেজিত শ্রমিকেরা একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন, ফলে আশপাশের সড়কগুলোতে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় যাত্রীদের ভিড় বাড়ে মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে। তবে আশপাশের থমথমে পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে কর্তৃপক্ষ দুটি স্টেশন বন্ধ ঘোষণা করে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে মিরপুর এলাকার অধিকাংশ পোশাক কারখানায় ছুটি দেওয়া হয়েছে এবং পুরো এলাকায় এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এমআর/ 

মন্তব্য করুন