© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

“মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে-অকারণে বদলায়”

শেয়ার করুন:
“মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে-অকারণে বদলায়”
ukti-desk
০৫:২৪ পিএম | ২১ মার্চ, ২০২১

আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ। একাধারে তিনি নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী, বাগ্মী এবং বুদ্ধিজীবী। মুনীর চৌধুরীর ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকা জেলার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।

আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ। একাধারে তিনি নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী, বাগ্মী এবং বুদ্ধিজীবী। মুনীর চৌধুরীর ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকা জেলার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।

পেশাগত জীবনে শিক্ষকতা করেছেন খুলনার ব্রজলাল কলেজ, ঢাকার জগন্নাথ কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। রাজনৈতিক ভাবে পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির সাথে যুক্ত ছিলেন। মুনীর চৌধুরী ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে পাকিস্তান সরকারের হাতে বন্দী হন।

১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় তিনি কবর নাটকটি রচনা করেন। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে- রক্তাক্ত প্রান্তর, পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য, চিঠি, রাজার জন্মদিন প্রভৃতি।

সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, স্বাধীনতা পুরস্কার, দাউদ পুরস্কার এবং সিতারা-ই-ইমতিয়াজ সহ নানা সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময়ে সে আন্দোলনের সমর্থনে তিনি সিতারা-ই-ইমতিয়াজ খেতাব বর্জন করেন।

১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর মুনীর চৌধুরীকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীদের সহযোগী আল-বদর বাহিনী তার বাবার বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

তার একটি বিখ্যাত উক্তি-
“মানুষ মরে গেলে পচে যায়,
বেঁচে থাকলে বদলায়,
কারণে-অকারণে বদলায়”।

 

টাইমস/এনজে

 

মন্তব্য করুন