© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কুয়াকাটা পর্যটন নগরীতে সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের দাবি

শেয়ার করুন:
কুয়াকাটা পর্যটন নগরীতে সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের দাবি
সাইফুল ইসলাম, মোবাইল জার্নালিস্ট
১২:৩২ পিএম | ১২ অক্টোবর, ২০২১

<div><div><div><div><span>পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়

পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।


আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন সংগঠনের সাধারাণ সম্পাদক এম এ মোতালেব শরীফ। এসময় সভাপতি শাখাওয়াত হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে সাধারাণ সম্পাদক এম এ মোতালেব শরীফ বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় শতাধিক হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট ও কয়েক হাজার পর্যটনবান্ধব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। কুয়াকাটা সরকার ঘোষিত একটি পর্যটন কেন্দ্র। এখানকার নির্মল বাতাস, প্রকৃতির নৈস্বর্গ, সাগরের বিশাল জলরাশি তার অপার সৌন্দর্য নিয়ে পর্যটকদের কাছে টানে। পর্যটন নগরী কুয়াকাটা শুধু দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নয় বরং এটি সমগ্র বাংলাদেশের অর্থনীতির বিশাল সম্ভাবনা।

যার কারণে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৭ সালে কুয়াকাটাকে পর্যটন নগরী হিসেবে ঘোষণা করেন। শুধু ঘোষণা দিয়েই তিনি কাজ শেষ করেননি, কুয়াকাটাকে সাজানোর জন্য নিয়েছেন একগুচ্ছ উন্নয়ন পরিকল্পনা। কুয়াকাটার সঙ্গে সংযুক্ত সব রাস্তাঘাট তিনি সুন্দরভাবে তৈরি করে দিয়েছেন। ইতোমধ্যে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬টি (ছয়) ব্রিজে যানবাহন চলাচল করছে।

একটি ব্রিজের উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে, যা উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে এবং পদ্মাসেতু চালু হলে ঢাকা থেকে ৫ ঘণ্টায় পর্যটকরা কুয়াকাটায় পৌঁছাতে পারবে। পর্যটন নগরী কুয়াকাটার যুগোপযোগী মাস্টার প্লান প্রধানমন্ত্রী ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে অনুমোদন দিয়েছেন। যা বাস্তবায়নের অপেক্ষায় আছে।

মন্তব্য করুন