চট্টগ্রাম থেকে ‘বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার’ যাবে ওমান
দেশের সর্বাধুনিক বিমান ‘বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার’ দিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ওমানের রাজধানী মাসকাটে যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে বাংলাদেশ বিমান। প্রায় ৬ মাস বন্ধ থাকার পর শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে এই রুটে বাংলাদেশ বিমানের বড় উড়োজাহাজ চালু হয়। এই রুটে সপ্তাহে রবি, সোম ও বুধবার এই তিনদিন চলাচল করবে বিলাসবহুল এই বিমানটি।
দেশের সর্বাধুনিক বিমান ‘বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার’ দিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ওমানের রাজধানী মাসকাটে যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে বাংলাদেশ বিমান।
প্রায় ৬ মাস বন্ধ থাকার পর শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে এই রুটে বাংলাদেশ বিমানের বড় উড়োজাহাজ চালু হয়।
এই রুটে সপ্তাহে রবি, সোম ও বুধবার এই তিনদিন চলাচল করবে বিলাসবহুল এই বিমানটি।
সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই ‘বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার’ বিমানে বিজনেস এবং ইকোনমি ক্লাস মিলিয়ে মোট ২৭১টি সিট রয়েছে। ৪৩ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে উড়া এই বিমানে বসেই যাত্রীরা ওয়াইফাই মাধ্যমে অনলাইনে যুক্ত থাকতে এবং রোমিং সুবিধা নিয়ে ফোনে কথা বলতে পারবেন। সিটের পিছনে মনিটরে নয়টি টিভি চ্যানেল এবং একশটি ব্লক বাস্টার সিনেমা দেখতে পারবেন। এছাড়াও বিজনেস ক্লাসে প্রত্যেকটি আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্লাট করার সুযোগসহ অনেক সুবিধা রয়েছে এই বিমানটিতে।
বাংলাদেশ বিমানের চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক মাহফুজ উল আলম বলেন, চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে ড্রিমলাইনারের যাত্রা শুরু এই প্রথম। চট্টগ্রাম-মাসকাট রুট দিয়ে যাত্রা শুরু করেছি। বড় বিমান হওয়ায় পূর্ণ সক্ষমতার যাত্রী পাচ্ছি আমরা।
তিনি আরও জানান, সপ্তাহে তিনদিন- রবি, সোম ও বুধবার চট্টগ্রাম-মাসকাট রুটে যাত্রী পরিবহন করবে এই বিমান। বাংলাদেশ বিমান সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে অন্য দুটি বিমান সংস্থার চেয়ে এগিয়ে থাকলো। অনটাইম বা সঠিক সময়ে যাত্রা নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশ বিমান ভালো যাত্রী পাবে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে থেকে ৪১৯ আসনের ‘বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর’ এবং ৩১৯ আসনের ‘বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর’ বিমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ও দুবাই এবং সৌদি আরবের জেদ্দায় যাত্রী পরিবহন করছে বাংলাদেশ বিমান। এখন সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিমানটিও চট্টগ্রাম থেকে যুক্ত হলো।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে হজের জন্য এ রুটে বিমানের বড় উড়োজাহাজ বন্ধ রাখা হয়। হজ শেষে তা চালুর কথা থাকলেও তা আর হয়নি। যার কারণে দীর্ঘ ৬ মাস দুর্ভোগে পড়ে প্রায় ৮ লাখ ওমান প্রবাসী বাংলাদেশি। হিমঘরে লাশ আর হাসপাতালে অপেক্ষায় থাকা অসুস্থ প্রবাসীদের তালিকা দীর্ঘ হতে থাকে। এই বড় বিমান চালু হওয়ার ফলে ওমান প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হলো।
টাইমস/এএস/এইচইউ