‘ভাষার টানে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে’
‘আমি এই প্রথম বাংলাদেশে এসেছি। আর দুইটি কারণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমার এই আসা। কারণ গুলো হলো- এই শহীদ দিবস ব্যাপারটাকে অনুভব করা। আর বাংলা ভাষার প্রতি যে আবেগ আছে তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে। তাইতো আমি একাকী কলকাতা থেকে ভাষার টানে বাংলাদেশে এসেছি।'
‘আমি এই প্রথম বাংলাদেশে এসেছি। আর দুইটি কারণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমার এই আসা। কারণ গুলো হলো- এই শহীদ দিবস ব্যাপারটাকে অনুভব করা। আর বাংলা ভাষার প্রতি যে আবেগ আছে তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে। তাইতো আমি একাকী কলকাতা থেকে ভাষার টানে বাংলাদেশে এসেছি।'
বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বাংলাদেশ টাইমস-এর সঙ্গে এসব কথা বলেন কলকাতার যুবক শুভ্রদ্বীপ। তিনি একুশে ফেব্রুয়ারি উৎযাপন করতে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে এসেছেন।
শুভ্রদ্বীপ বলেন, অসাধারণ অনুভুতি। ভাবতে পারিনি যে আমি বাংলাদেশে আসবো। আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে এরকম যে মিলন আর স্বরণসভা হয়, তা আগে শুনেছিলাম। তবে সেটাকে আজ নিজ চোখে দেখা, নিজে দাঁড়িয়ে অনুভব করা, সেটা আমার কাছে সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার। আর সেটা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না।
তিনি বলেন, আমরা তো পশ্চিমবঙ্গে থাকি। আর সেখানে তো অধিকাংশ লোকই বাঙ্গালি। আমি এখন টিএসসি থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের দিকে যাচ্ছি। আমার বাড়ি কলকাতায়। বাবা চাকরি করেছেন। এখন অবসরে আছেন। আর মা তো গৃহিনী। আমিই তাদের একমাত্র সন্তান।
প্রবাসী এই তরুণ আরও বলেন, আগে আমি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেছি। এখন রেলওয়েতে কর্মরত আছি। মৈত্রী এক্সপ্রেসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে এসে নেমেছি ঢাকার শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে। সেখান থেকে বাসে করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে গুলিস্তানে একটি হোটেলে উঠেছি। সেখান থেকেই রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এসেছি।
শুভ্রদ্বীপ আরও বলেন, আসলে বাংলা ভাষার প্রতি টানেই এখানে আসা। তবে ছাত্র থাকাকালীন সময়ে অনেক চেয়েছি এখানে আসতে। কিন্তু টাকার অভাবে পারিনি। তবে এখন কর্মকর্তা হয়েছি। বেশ কিছু টাকা হয়েছে। সেই টাকা নিয়েই আমার আসা। আমি ছোট বেলা থেকেই এখানে আসতে চেয়েছি।
টাইমস/টিআর/এইচইউ