© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রোববার মেলায় নতুন বই এসেছে ৯১টি

শেয়ার করুন:
রোববার মেলায় নতুন বই এসেছে ৯১টি
own-reporter
১০:৪১ পিএম | ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

অমর একুশে বইমেলায় রোববার নতুন বই এসেছে ৯১টি। মেলার ২৪তম দিনে ছিল বইপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি। সবার হাতে ছিল বই। স্টলগুলোতে বিক্রিও বেশ ভালো ছিল। মেলা চলেছে বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ‘বলধা গার্ডেন: আমাদের উদ্যান-ঐতিহ্য’ শীর্ষক আলোচনা।

অমর একুশে বইমেলায় রোববার নতুন বই এসেছে ৯১টি। মেলার ২৪তম দিনে ছিল বইপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি। সবার হাতে ছিল বই। স্টলগুলোতে বিক্রিও বেশ ভালো ছিল।

মেলা চলেছে বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ‘বলধা গার্ডেন: আমাদের উদ্যান-ঐতিহ্য’ শীর্ষক আলোচনা।

এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মোকারম হোসেন। আলোচনায় অংশ নেন হাশেম সূফী, মোহাম্মদ আলী খান, নূরুন্নাহার মুক্তা। সভাপতিত্ব করেন বিপ্রদাশ বড়ুয়া।

প্রাবন্ধিক মোকারম হোসেন বলেন, আমাদের অন্যতম উদ্যান-ঐতিহ্য বলধা গার্ডেন আজ বিপন্ন। চারপাশের সুউচ্চ দালানকোঠা বাগানের বিরল সংগ্রহকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দুঃসময় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে হারিয়ে গেছে বাগানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহ।

তিনি বলেন, সঠিকভাবে পরিচালনার অভাবেও এসব হারিয়ে যেতে পারে বলে কেউ কেউ ধারণা করেন। কারণ বলধা বাগানের সমস্ত সংগ্রহের উৎস,পরিচয়, পরিচর্যার পদ্ধতি, গুনাগুণ সবকিছুই লিপিবদ্ধ ছিল। বলধা বাগানের সমপরিমাণ জায়গা নিয়ে অথবা বিকল্প কোনো নকশায় মূল বাগানের প্রতিটি উদ্ভিদের চারা একটি করে রোপণ করে সৃষ্টি করা যায় নতুন বলধা গার্ডেন।

আলোচকবৃন্দ বলেন, বলধা গার্ডেন নেহায়েত একটি উদ্যান নয়। এটি আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অন্তর্গত অঞ্চল। এই উদ্যান নগর ঢাকার নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে ধারণ করে আছে বহুকাল।

সভাপতির বক্তব্যে বিপ্রদাশ বড়ুয়া বলেন, বলধা গার্ডেন শুধু বাংলাদেশের নয় সামগ্রিকভাবে বিশ্ব উদ্যান-ঐতিহ্যের অন্যতম সংযোজন। এখানে বৃক্ষরাজি-তরুলতার যে বৈচিত্র্যপূর্ণ সমাবেশ ঘটেছে, তা যেমন প্রাণপ্রকৃতির রক্ষাকবচ অন্যদিকে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিরও প্রেরণাদায়ক।

অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন প্রকাশিত গ্রন্থ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেন বিশ্বজিৎ ঘোষ, এম আবদুল আলীম, বিমল গুহ, জেসমিন মুন্নী, ড. চৌধুরী শহীদ কাদের।

ছড়া পাঠ করেন ছড়াকার মাহমুদউল্লাহ, রফিকুল হক, আলী ইমাম, ফারুক নওয়াজ, লুৎফর রহমান রিটন, আমীরুল ইসলাম, আলম তালুকদার,খালেক বিন জয়েনউদ্দিন, রহীম শাহ প্রমুখ।

আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী ফয়জুল্লাহ সাঈদ এবং সৈয়দ শহীদুল ইসলাম। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছিল এ কে আজাদের পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘আনন্দন’ এবং প্রসাদকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের রচনায় এবং ভিক্টর দানিয়েলের পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী’র পরিবেশনা।

সোমবারের কর্মসূচি

বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের অনুবাদ সাহিত্যের চালচিত্র শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন অধ্যাপক কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়।
আলোচনায় অংশ নেবেন মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, আনিসুর রহমান, আলম খোরশেদ এবং রাজু আলাউদ্দিন। সভাপতিত্ব করবেন হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

সন্ধ্যায় রয়েছে কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ, কবিতা-আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

 

টাইমস/টিআর/জেডটি

মন্তব্য করুন