শেষ হলো ১১তম আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো
রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে অনুষ্ঠিত তিনদিনের ‘আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো-২০১৯’ শনিবার শেষ হয়েছে। ৭ মার্চ শুরু হয়ে ৯ মার্চ পর্যন্ত চলে এই পোল্ট্রি শো। প্রদশর্নী চলাকালীন প্রতিদিনই দর্শকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশ্বের ২২টি দেশের প্রায় ২৩০টি কোম্পানি এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছিল। এরমধ্যে বাংলাদেশের ১৫০টি আর বিদেশের ৮০ বিদেশি কোম্পানি অংশ নিয়েছিল। মোট স্টলের সংখ্যা ছিল ৮শ’র মতো।
রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে অনুষ্ঠিত তিনদিনের ‘আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো-২০১৯’ শনিবার শেষ হয়েছে। ৭ মার্চ শুরু হয়ে ৯ মার্চ পর্যন্ত চলে এই পোল্ট্রি শো। প্রদর্শনী চলাকালীন প্রতিদিনই দর্শকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
বিশ্বের ২২টি দেশের প্রায় ২৩০টি কোম্পানি এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছিল। এরমধ্যে বাংলাদেশের ১৫০টি আর ৮০টি বিদেশি কোম্পানি অংশ নিয়েছিল। মোট স্টলের সংখ্যা ছিল ৮শ’র মতো।
পোল্ট্রি শিল্পের সঙ্গে সকলের সংশ্লিষ্টতা বাড়াতে পোল্ট্রি কুকিং কনটেস্ট, ডিম সেলফি কনটেস্ট, ও চিকেন সেলফি কনটেস্ট এর আয়োজন করা হয়েছিল। যুব সমাজকে পোল্ট্রি ব্যবসায় উদ্যোগী করতে এবং পোল্ট্রি উৎপাদন বাড়াতে নানা ধরনের প্রকল্প ছিল এখানে।
পোল্ট্রি শিল্পের জন্য নানা ধরনের ব্যবহারিক যন্ত্রপাতি যেমন- স্পিড কন্ট্রোলার, ভিএফডি ইনল্কোসার, সেফটি কেমপোনেন্টস, ইগ সুপার সেটার, ইগ হেচার, ইগ সেটার টাই, এক্সএম ৩৬, ৩২, ২৬ কন্ট্রোলার, চিক-বস ইনকিউবেটর কন্ট্রোলার, ব্যাক ফ্যান, হিটার, হাইগ্রোসকোপ, নিপল ড্রিংকার, ব্রিডার ফ্রিডার, অটো বেকার মেশিন ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়। তাছাড়া প্রদর্শনীতে ছিল পোল্ট্রি সংশ্লিষ্ট নামিদামি ঔষধ কোম্পানির স্টল।
আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো উপলক্ষে বিভিন্ন দেশের ১৩ জন বিজ্ঞানী ও গবেষক ঢাকায় এসেছিলেন। তারা ৯৯টি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। গত বৃহস্পতিবার এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।
টাইমস/এসআর/এসআই