কক্সবাজারের প্রাণ বাঁকখালী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
কক্সবাজারের প্রাণ বাঁকখালী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
১০:০৭ পিএম | ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
<div>কক্সবাজারের প্রাণ বাঁকখালী নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদে অ
কক্সবাজারের প্রাণ বাঁকখালী নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নদীর কস্তুরাঘাটস্থ মোহনা থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে অভিযানে পরিবেশ অধিদফতর, বনবিভাগ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-সহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঢাকা জেলা পুলিশের শতাধিক পুলিশ, র্যাব, বিজিবি সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
কক্সবাজার শহরের প্রাণ হিসেবে পরিচিত বাঁকখালী নদীর তীর দখলের মহোৎসব চলছে গত ৫ বছর ধরে। নদীর তীরে ৬ শ’ হেক্টর প্যারাবন নিধন করে একে একে চলছে স্থাপনা নিমার্ণের কাজ। শুধুমাত্র দুই মাসের ব্যবধানে নদীর তীরের জমি দখলের পর চলছে স্থাপনা নির্মাণ।
খুরুশকুলের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য কস্তুরাঘাট পয়েন্টে বাঁকখালী নদীর ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে একটি সেতু। এই সেতুর পাশাপাশি সংযোগ সড়ক তৈরি হওয়ায় সড়কের দুই পাশে প্যারাবন ধ্বংস করে নদী দখলের মহোৎসবে মেতে ওঠেছে প্রভাবশালী চক্র।
যদিও এখানে একটি নদী বন্দর হওয়ার জন্য সরকারের প্রজ্ঞাপন রয়েছে। এর জন্য এ জমি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) বুঝিয়ে দেয়ার জন্য হাইকোর্টের রায় রয়েছে। এর পরিপ্রক্ষিতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আবু সুফিয়ান।
তিনি আরো জানান, সকালে শুরু হওয়া এ অভিযান সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলবে। কোনোভাবেই নদী দখলের প্রশ্নে ছাড় দেয়া হবে না।