চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এবার বাড়ানো হয়েছে প্রাইজমানি। ৫৩ শতাংশ প্রাইজমানি বৃদ্ধির পর এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপাজয়ী দল পাবে ২২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা টাকার অঙ্কে ২৭ কোটি ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৪২৪ টাকা। রানার্সআপ দল প্রাইজমানি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন দলের অর্ধেক অর্থ পাবে যার পরিমাণ ১১ লাখ ২০ হাজার ডলার (প্রায় ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ২১২ টাকা)।সেমিফাইনালে বাদ পড়া দুই দলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার করে (প্রায় ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৬১ হাজার ৬০৬ টাকা)।
আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যাত্রা শেষ হলো বাংলাদেশের। নিজেদের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে আজ (বৃহস্পতিবার) সান্ত্বনার জয় প্রত্যাশা করলেও, বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি ভেস্তে গেছে। ম্যাচটি ছিল দুই দলের জন্যই কেবলই আনুষ্ঠানিকতার। কারণ উভয়ই নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত করেছিল। বৃষ্টির কল্যাণে আজ পয়েন্ট ভাগাভাগির পর ‘এ’ গ্রুপের টেবিলে তিনে থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শেষ করল বাংলাদেশ।
পয়েন্ট টেবিলের একেবারে তলানিতে অবস্থান করছে স্বাগতিক পাকিস্তান। ৩ ম্যাচ শেষে সমান ১ পয়েন্ট পেলেও নেট রানরেটে এগিয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত’র দল। আবার ২ ম্যাচে সমান ৪ পয়েন্ট করে পাওয়া নিউজিল্যান্ড ও ভারত যথাক্রমে নেট রানরেটের হিসাবে শীর্ষ দুইয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ-পাকিস্তানের যাত্রা শেষ হওয়ার পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে তাদের কে কত টাকা আয় করল সেই হিসাব স্বভাবতই সামনে এসে যায়।
এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশগ্রহণের জন্য রয়েছে আর্থিক পুস্কার। প্রতিটি দল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য পাবে ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার বা প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ৩ হাজার টাকা করে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে গ্রুপপর্বে প্রতিটি ম্যাচ জয়ের আলাদা অর্থ। প্রতি ম্যাচে বিজয়ীরা ৩৪ হাজার ডলার বা প্রায় ৪১ লাখ ৮ হাজার টাকা করে পাবে। বাংলাদেশ জয় না পেলেও অংশগ্রহণ বাবদ ১ কোটি ৫১ লাখ ৩ হাজার টাকা পকেটে পুরবে। এ ছাড়া রয়েছে টুর্নামেন্ট শেষে অবস্থানের ভিত্তিতে আর্থিক পুরস্কার। যদিও দুটি আলাদা গ্রুপের দলগুলোর অবস্থান কীভাবে নির্ণয় হবে সেটি পরিস্কার করেনি আইসিসি।
নিজেদের গ্রুপে তিন নম্বরে থেকে শেষ করা বাংলাদেশ সপ্তম ও অষ্টম স্থানে থাকলে প্রাইজমানি হিসেবে পাবে ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার বা প্রায় ১ কোটি ৬৯ লাখ ১৫ হাজার টাকা করে। একইভাবে পঞ্চম ও ষষ্ঠ দল প্রাইজমানি হিসেবে ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা প্রায় ৪ কোটি ২২ লাখ ৮৮ হাজার টাকা এবং সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানধারী দুই দল পাবে সমান ৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার বা প্রায় ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা করে।
৮ দলের এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ২০১৭ আসরের চেয়ে প্রাইজমানি বাড়ানো হয়েছে ৫৩ শতাংশ। আইসিসি প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে– চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রাইজমানিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২২ লাখ ৪০ হাজার ডলার বা প্রায় ২৭ কোটি ৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। রানার্সআপ হওয়া দল প্রাইজমানি হিসেবে পাবে চ্যাম্পিয়ন দলের অর্ধেক অর্থ। অর্থাৎ, তারা পাবে ১১ লাখ ২০ হাজার ডলার বা প্রায় ১৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।