© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ব্রিটেনে এক বছরে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে প্রবেশে রেকর্ড

শেয়ার করুন:
ব্রিটেনে এক বছরে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে প্রবেশে রেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:২৩ এএম | ১৩ আগস্ট, ২০২৫

<div style="text-align: justify;"><span style="">২০২৪ সালের জুলাই যুক্তরাজ্যে ক্ষমতাসীন হয় বর্তমান প্রধা...

২০২৪ সালের জুলাই যুক্তরাজ্যে ক্ষমতাসীন হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমারের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টির সরকার। তারপর থেকে এ পর্যন্ত অর্থাৎ ১৩ মাসে ইংলিশ চ্যানেল সাগর পথে দেশটিতে প্রবেশ করেছেন ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

সর্বশেষ গত সোমবার আটটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ৪৭৪ জন প্রবেশ করেছেন যুক্তরাজ্যে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এ তথ্য।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অভিবানস বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজ জানিয়েছে, এটি একটি রেকর্ড। কারণ এর আগে কখনও এক বছরে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে এত সংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশীর আগমণ দেখেনি ব্রিটেন।

পার্লামেন্ট নির্বাচনে চনে পর ২০২৪ সালের ৪ জুলাই ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন লেবার পার্টির শীর্ষ নেতা কেইর স্টারমার। সেই হিসেবে মাত্র ১৩ মাস বা ৪০২ দিন ধরে ক্ষমতায় আছে লেবার পার্টির সরকার।

রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমনের প্রসঙ্গে স্কাই নিউজকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ইংলিশ চ্যানেল পথে অভিবাসীদের আগমণ বন্ধে সরকারের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ পরিকল্পনা আছে। তিনি বলেন, “আমরা সবাই চাই ছোটো ইঞ্জিন চালিত নৌকায় চেপে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমন বন্ধ হোক। কারণ এটা জীবন আমাদের সীমান্ত নিরাপত্তা— উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।”

“ইংলিশ চ্যানেল পথে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমনের ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রণ করছে বেশ কিছু মানব পাচারকারী গ্যাং। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে তাদের কোনো চিন্তা নেই। এসব গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং মানব পাচারকারীদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।”

“আমাদের এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ২টি— ইংলিশ চ্যানেল রুটের সব মানব পাচারকারী গ্যাংগুলোকে আইনের আওতায় আনা এবং চ্যানেলে ইঞ্জিনচালিত ছোট নৌকার চলাচল বন্ধ করা। দুই লক্ষ্যই আমরা পূরণ করব”, স্কাই নিউজকে বলেন ওই মুখপাত্র।

বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির এমপি ক্রিস ফিলিপ বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বলেছেন, “লেবার পার্টির সরকার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এজন্য প্রয়োজন কনজারভেটিভ পার্টির সরকার।”

প্রসঙ্গত, ইংলিশ চ্যানেল হলো পশ্চিম ইউরোপের একটি সংকীর্ণ সাগর, যা ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্যকে পৃথক করেছে এবং উত্তর সাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ফ্রান্সে এই সাগর লা মঁশ নামে পরিচিত।

এই দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬২ কিলোমিটার এবং প্রস্থ অবস্থানভেদে সর্বোচ্চ ২৪০ কিলোমিটার থেকে সর্বনিম্ন ৩৪ কিলোমিটার। এটি ইউরোপীয় মহীসোপানের কাছাকাছি অবস্থিত অগভীর সাগরগুলির মধ্যে ক্ষুদ্রতম; এর আয়তন প্রায় ৭৫ হাজার বর্গকিলোমিটার।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

এসএন

মন্তব্য করুন