• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

ট্রাম্পের কাছে নালিশ করতে যেভাবে গেলেন প্রিয়া সাহা

ট্রাম্পের কাছে নালিশ করতে যেভাবে গেলেন প্রিয়া সাহা

সেন্ট্রাল ডেস্ক২২ জুলাই ২০১৯, ১১:২১এএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু পরিস্থিতি নিয়ে নালিশ করে আলোচনায় আসা প্রিয়া সাহা এবার তার সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। কারও সঙ্গে কথোপকথনের প্রশ্নোত্তরধর্মী এ বার্তায় তিনি তার বক্তব্যের পক্ষেই কথা বলেছেন।

তিনি দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগে দেয়া বক্তব্য থেকেই তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছেন।

ইউটিউবে প্রকাশিত ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মোবাইল হাতে নিয়ে তিনি এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছেন, ওই ব্যক্তির বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন প্রিয়া সাহা। তবে সেই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

প্রিয়া সাহা কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে নালিশের সুযোগ পেলেন তা প্রকাশিত ভিডিওতে তিনি বলেছেন।

প্রিয়া সাহা বলেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ আমাকে পাঠায়নি। আমাকে আইআরআর থেকে সরাসরি ফোন করা হয়েছে, ইমেইল পাঠানো হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

প্রিয়া সাহা বলেন, গত মাসের ১৪ তারিখে আমি ইমেইলটা পেয়েছি। প্রথমে আমি সেভাবে রেসপন্স করিনি। তারপর বারবার তারা মেইল করেছে। ১৫ তারিখে আমি ঢাকা থেকে রওনা দিয়েছি। সেদিন আমি সন্ধ্যার পর এসেছি।

নালিশের ব্যাপারে প্রিয়া সাহা বলেন, প্রথমে তো এই কথাগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথা। ২০০১ সালে যখন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্বাচন-উত্তর যখন ৯৪ দিন ধরে চরম নির্যাতন চলছিল, তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা দেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে সারা পৃথিবীতে ঘুরেছেন। সমস্ত জায়গায় বক্তব্য দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে, তার অনুসরণে আমি বলেছি। এবং যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে কোনো জায়গায় বলা যায়। এটা আমি তার কাছে শিখেছি।

প্রিয়া সাহা বলেন, ২০০১ সালে তখনকার যে সাম্প্রদায়িক সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং আওয়ামী লীগের ওপর চরম নির্যাতন; তার বিরুদ্ধে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সারা পৃথিবীতে কীভাবে সংগ্রাম করেছেন। সেটা আপনারা সবাই অবগত আছেন। আসলে বিষয়গুলো আপনারা নিজেরাও জানেন

তিনি বলেন, প্রতি বছর সরকার যে সেন্সাস রিপোর্ট বের করে, সেই সেন্সাস রিপোর্ট অনুসারে দেশভাগের সময় দেশের সংখ্যালঘু জনসংখ্যা ছিল ২৯.৭ ভাগ। আর এখনকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা হলো ৯.০৭ ভাগ।

এখন দেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৮০ মিলিয়নের মতো। সে ক্ষেত্রে জনসংখ্যা? যদি একই হারে বৃদ্ধি পেত তাহলে অবশ্যই যে জনসংখ্যা আছে সেই জনসংখ্যা, অর্থাৎ ক্রমাগতভাবে যা হারিয়ে গেছে, সেই জনসংখ্যার সঙ্গে আমার তথ্যটা মিলে যায়।

প্রিয়া সাহা আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারকাত। তিনি কিন্তু পরিসংখ্যান বইয়ের ওপর ভিত্তি করে, অর্থাৎ সরকারের প্রকাশিত বইয়ের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গবেষণা করেছেন। সেই গবেষণায় তিনি দেখিয়েছেন, প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে ৬৩২ জন লোক হারিয়ে যাচ্ছে।

প্রিয়া বলেন, যদি স্বাভাবিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া, যেভাবে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই একইভাবে যদি ধর্মীয় সংখ্যালঘু ২৯.৭ শতাংশ থাকত, তাহলে এই জনসংখ্যাটা হতো। কিন্তু তা নাই। এই যে ক্রমাগতভাবে কমে গেছে, এটা যে নাই, কেন, সেটাই আমি বোঝাতে চেয়েছি। এই কথাগুলো তো সাধারণ কথা। এটা একটা সত্য কথা।

প্রিয়া সাহা বলেন, আমার বাড়ি পিরোজপুরে। সেখানে ২০০৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ৪০টি পরিবার ছিল; এখন মাত্র ১৩টি পরিবার আছে। তাই আমার গ্রামের মানুষগুলোকে আমি দেখেছি।

২০১১ সালে যখন অধ্যাপক আবুল বারকাত এই গবেষণা করেন, তখন কিন্তু তিনি সিরডাপ মিলনায়তনে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকবৃন্দ, প্রথিতযশা সাংবাদিকবৃন্দসহ ব্যাপক মানুষের সামনে এই রিপোর্টটি প্রকাশ করেন। এবং তৎকালীন সকল গণমাধ্যম দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সকল রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। তারপর গণমাধ্যম নিয়মিতভাবে, যখন যে মানুষ যেখান থেকে দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে, তারা রিপোর্ট পেলেই তা প্রকাশ করে। এবং যখন যেখানে দুর্ঘটনা ঘটছে, আপনারা সে কাজটা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে করছেন।

প্রিয়া বলেন, আমাকে ডেকে নিয়ে এসে বলল যে, চলেন আমরা হোয়াইট হাউসে যাব। আমি আর বুঝি নাই। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে সবাই গাড়িতে করে চলে গেল।

স্যাম ব্রাউন দ্যাট অ্যাম্বাসেডর অ্যাপলায়েডের নেতৃত্বে আমরা গেলাম। কিছুক্ষণ বসার পরে শুনতে পারলাম, খুব সুনসান খুব গোছগাছ চলতেছে যে বিষয়টা কী। আমরা একটা রুমে বসলাম। পাশের রুমেই প্রেসিডেন্ট আসবেন। তার সঙ্গে আমাদের দেখা হবে কয়েক মিনিটের মধ্যে।

ওইখানে কিছু প্রটোকল আছে, সব ব্যাগট্যাগ সবকিছু দেখেটেকে যেতে হয়, কীভাবে ব্যাজট্যাজ পরতে হয়, সেগুলো পরে সবাইকে সিরিয়ালি বিভিন্ন ধরনের নাম্বারিং করা হয়। নিয়ে আমাদের দাঁড় করাল। তারপর প্রেসিডেন্ট আসলেন।

যখন অন্যরা কথা বলছেন দেখলাম যে অনেকেই অনেক কথা বলছেন। আমিও আমার কথা বললাম।

 

টাইমস/জিএস

এনজিও’র উস্কানিতে যেতে রাজি হচ্ছে না রোহিঙ্গারা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এনজিও’র উস্কানিতে যেতে রাজি হচ্ছে না রোহিঙ্গারা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে কিছু এনজিওর তৎপরতা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার প্রত্যাবাসন পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার দিনই সংসদ ভবনে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিষয়টি আলোচনায় ওঠে। মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এই অভিযোগ শুনে ওই এনজিওগুলোকে চিহ্নিত করার সুপারিশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। তবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফল না হলেও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, থেমে না গিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। মিয়ানমারে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে তার জন্য বহু পক্ষীয় উদ্যোগ নিতে হবে।

আশুলিয়ায় জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে লুটপাট, হত্যাচেষ্টার মামলা

আশুলিয়ায় জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে লুটপাট, হত্যাচেষ্টার মামলা

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অন্যতম ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে নাছির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি ঢাকার আশুলিয়া থানায় বুধবার রাতে একটি মামলা করেছেন। মামলায় জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে লুটপাট, ভাঙচুর, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার বাদী নাছির উদ্দিন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক। তিনি আশুলিয়ার নলাম এলাকার বাসিন্দা।

সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে কমিটির ১১১ সুপারিশ

সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে কমিটির ১১১ সুপারিশ

সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ১১১ দফা সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এ-সংক্রান্ত কমিটি। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভায় সুপারিশগুলো সংযোজন, পরিবর্তন ও পরিমার্জন করে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হবে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর হাতে তুলে এই প্রতিবেদন তুলে দেন কমিটির প্রধান সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি। এ সময় মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয়

হাইকোর্টের তিন বিচারককে বিচার কার্য থেকে বিরত থাকার নির্দেশ

হাইকোর্টের তিন বিচারককে বিচার কার্য থেকে বিরত থাকার নির্দেশ

হাইকোর্টের তিনজন বিচারপতির বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগের তদন্ত শুরুর পর তাদের বিচারকাজ থেকে সাময়িকভাবে বিরত থাকতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। তিন বিচারক হলেন- বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি একেএম জহিরুল হক এবং বিচারপতি কাজী রেজাউল হক। বৃহস্পতিবার বিকালে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।

জাতীয়

জানুয়ারি-আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৬০ হাজার

জানুয়ারি-আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৬০ হাজার

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে প্রায় ৬০ হাজার ভর্তি হয়েছেন বলে তথ্য দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৯ হাজার ৫৫২ জন।

জাতীয়

একজন রোহিঙ্গাও ফিরল না মিয়ানমারে

একজন রোহিঙ্গাও ফিরল না মিয়ানমারে

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনাগ্রহের কারণে দ্বিতীয় দফায় ব্যাপক প্রস্তুতি ও উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত শুরু করা গেল না প্রত্যাবাসন কর্মসূচি। মিয়ানমারের রাখাইনে প্রত্যাবাসনের সহায়ক পরিবেশ না থাকায় রোহিঙ্গাদের কেউ তাদের আদি নিবাসে ফিরতে চাইছেন না। বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর আগে গত বছর নভেম্বর মাসে একই রকমের একটি প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ রোহিঙ্গাদের অনাগ্রহের কারণেই ভেস্তে যায়।

জাতীয়

সব ধরনের অপরাধে জড়িত আইনের রক্ষকরা: ইফতেখারুজ্জামান

সব ধরনের অপরাধে জড়িত আইনের রক্ষকরা: ইফতেখারুজ্জামান

বাংলাদেশে এখন সব ধরনের অপরাধের সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।

জাতীয়

বগুড়া ও ফরিদপুরে বজ্রপাতে স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৬

বগুড়া ও ফরিদপুরে বজ্রপাতে স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৬

বগুড়া ও ফরিদপুরে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ ছয় জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া স্কুলছাত্রীসহ আহত হয়েছেন আরও দুইজন। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে বজ্রপাতের এসব ঘটনা ঘটে।

লাইফস্টাইল

গর্ভাবস্থায় পানি ভাঙা ও করণীয়

গর্ভাবস্থায় পানি ভাঙা ও করণীয়

গর্ভাবস্থায় পানি ভাঙার কথা শুনলেই অনেকে হয়তো ভয় পেয়ে থাকেন। আসলে ভয়ের কিছু নেই। তবে সব কিছুই জেনে রাখা প্রয়োজন। পানি ভাঙার লক্ষণ দেখা দিলেই গর্ভবতী নারীদের উচিত অনতিবিলম্বে নিকটস্থ চিকিৎসককে অবহিত করা।