© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

করোনামুক্ত নিউজিল্যান্ডে লকডাউন শিথিল

শেয়ার করুন:
করোনামুক্ত নিউজিল্যান্ডে লকডাউন শিথিল
international-desk
০৩:৪৪ পিএম | ২৭ এপ্রিল, ২০২০

বিশ্বে প্রথমবারের মত করোনাভাইরাসের সামাজিক (কম্যুনিটি) সংক্রমণ বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে নিউজিল্যান্ড। আর ঠিক এ কারণেই দেশটি এখন প্রায় কোভিড-১৯ হতে মুক্ত হতে চলেছে।

বিবিসি জানিয়েছে, গত কয়েকদিনে নিউজিল্যান্ডে আক্রান্তের সংখ্যা এক অঙ্কে নেমে এসেছে। এছাড়া রোববার দেশটিতে মাত্র একজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডান বলেছেন, তার দেশ এখনকার মত করোনার যুদ্ধে জিতেছে। তবে আমাদের সতর্কতা ও ফেলে আসা কঠিন সময়কে ভুলে গেলে চলবে না। সব সময় আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। করোনা মোকাবিলায় প্রাথমিক সফলতায় আমাদের আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না।

এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে জেসিন্ডা আর্ডানের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই নিউজিল্যান্ডে সামাজিক দূরত্বের কঠোর অবস্থা শিথিল করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এর ফলে মঙ্গলবার থেকে দেশটিতে কিছু কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হবে।

তবে নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, লকডাউন শিথিল করা হলেও কোনো নাগরিক অপ্রয়োজনে বাইরে ঘুরাফেরা করতে পারবে না। খুব বেশি দরকার না হলে সবাইকে এখনো নিজ নিজ বাড়িতেই অবস্থান করতে হবে। সেই সঙ্গে সামাজিক দূরত্বও মেনে চলতে হবে।

রেস্তোরা গুলো আগের মতই বন্ধ রাখা হবে। এছাড়া পারস্পরিক যোগাযোগ ও সাক্ষাতের ক্ষেত্রে সরকার নির্দেশিত পদ্ধতি হুবহু মেনে চলতে হবে আগের মতই।

কারণ হিসেবে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডান ব্রিফিং দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যান্য খাত নিয়ে সরকার এখনই কিছু ভাবতে চাইছে না।

এদিকে নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ্যাশলি ব্লুমফিল্ড বলেছেন, গত কয়েকদিনে করোনায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। তাই সরকার যে লক্ষ্য ঠিক করেছে, তা আমরা অর্জন করতে পেরেছি বলে আমাদের বিশ্বাস।

তবে এ্যাশলি ব্লুমফিল্ড মনে করছেন, ভাইরাস নির্মূল হবার ঘোষণা দেয়ার মানে এই নয় যে, দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত কেউ আর শনাক্ত হতে পারে না।

প্রসঙ্গত, নিউজিল্যান্ডে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে মোট প্রায় দেড় হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হন। এর মধ্যে ৯ জন মৃত্যুবরণ করেন। দেশটিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরপরই সব সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া হয়। সেই সঙ্গে দেশের সব মানুষের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড সরকার।

 

টাইমস/এসএন/এইচইউ

মন্তব্য করুন