সংবাদ সম্মেলনে কাঁদলেন ইরানের নারী ফুটবলার
ছবি: সংগৃহীত
০৮:৪০ পিএম | ০৪ মার্চ, ২০২৬
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা এখনো চলছে। তাতে মারা যাচ্ছেন অসংখ্য নিরীহ মানুষ। সামাজিক মাধ্যমে চোখ পড়তেই দেখা যায় ইরানের জনসাধারণের আহাজারির ঘটনা। নারী এশিয়ান কাপ খেলতে প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে কুইনসল্যান্ডে অবস্থানরত ইরান নারী দলের ফরোয়ার্ড সারা দিদারের প্রাণ কাঁদছে দেশের জন্য।
কুইনসল্যান্ডের গোল্ড কোস্টে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া-ইরান। সেই ম্যাচের আগে আজ যখন সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন ইরানের ফরোয়ার্ড সারা, তাঁর কাছে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের আলোচিত যুদ্ধাবস্থার ইস্যু। কথা বলতে গিয়ে কেঁদেই ফেললেন তিনি। ছলছল চোখে ইরানের ফরোয়ার্ড বলেন, ‘ইরানে যা ঘটেছে, তাতে সেই দেশে থাকা পরিবার ও প্রিয়জনদের নিয়ে আমরা চিন্তিত। তবে সত্যিই আশা করি সামনে আমরা ভালো খবর পাব। আমাদের দেশ শক্তভাবে টিকে থাকবে।’
সংবাদ সম্মেলনে সারার সঙ্গে এসেছেন ইরানের কোচ মারজিয়া জাফারি। কোচও কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন, ‘ইরানে আমাদের পরিবার ও মানুষের জন্য আমরা ভীষণ উদ্বিগ্ন। কেউ যুদ্ধ পছন্দ করে না।তবে এখানে আমরা পেশাদার ফুটবল খেলতে এসেছি। সামনের ম্যাচ ও খেলায় মনোযোগ ধরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’
ইরান গত পরশু গোল্ড কোস্টে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হেরে গিয়েছিল। সেই ম্যাচে প্রবাসী ইরানিয়ানদের দারুণ সমর্থন পেয়েছিল ইরান। ভক্ত-সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শিষ্যরা নিজেদের সেরাটা দেবেন বলে আশা জাফারির। ইরানের কোচ বলেন, ‘এখানকার ইরানি-অস্ট্রেলীয়রা আমাদের সমর্থন করছেন। আমরা খুব খুশি যে এমন একটি দেশে আছি। সেখানে সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সহায়ক। আমরাও তাদের খুব পছন্দ করি। তাঁরা যেন আমাদের নিয়ে গর্ব করতে পারেন, সেই চেষ্টা করব।’
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের এমন যুদ্ধাবস্থায় বেঁচে থাকাই হয়ে পড়েছে অনেক অনিশ্চিত। দুবাইয়ের পাম জুমেইরা রিসোর্টে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।
আইকে/টিএ