গৎবাঁধা চরিত্রে অভিনয় করার কোনো মানে নেই: ববিতা
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৪৪ পিএম | ১৮ মার্চ, ২০২৬
ঈদ মানেই আনন্দ, স্মৃতি আর প্রিয় মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানোর বিশেষ উপলক্ষ। এই আনন্দকে আরও রঙিন করে তুলতে ঈদ উপলক্ষে বিশেষ আড্ডার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ দেশের একটি গণমাধ্যম। এতে অতিথি হয়ে হাজির হয়েছেন নন্দিত অভিনেত্রী ববিতা।
এই আয়োজনে উঠে আসবে তাঁর ঈদের শৈশব স্মৃতি, পারিবারিক মুহূর্ত এবং শিল্পীজীবনের নানা অজানা গল্প। অনুষ্ঠানে গল্প, গান, হাসি-ঠাট্টা আর খুনসুটিতে জমে উঠে প্রাণবন্ত আড্ডা। যেখানে অভিনেতা শফিউল আলম বাবুর সঙ্গে স্মৃতিচারণে অংশ নেন ববিতা। আড্ডায় তিনি শোনাবেন অভিনয়জীবনে নায়িকা হয়ে ওঠার গল্প, বলবেন ঈদ উদযাপন ও বিভিন্ন সিনেমার স্মরণীয় অভিজ্ঞতার কথাও। এ পর্বের প্রযোজনায় রয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে ববিতা বলেন, ‘বেশ বিরতির পর কোনো টেলিভিশন চ্যানেলে ঈদ আড্ডায় অংশ নিয়েছি। জীবনের নানা বিষয় অনুষ্ঠানে আলোচনা হয়েছে। প্রাণ খুলে কথা বলেছি। আশা করছি, অনুষ্ঠানটি দর্শকের ভালো লাগবে’।
এ আয়োজন ছাড়াও সম্প্রতি তিনি দেশের একটি গণমাধ্যময়ের একটি দীর্ঘ আলপচারিতায় আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। সম্প্রতি দেশের একটি গণমাধ্যময়ের রেকর্ডিং শেষ হয়েছে। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন সিনিয়র চলচ্চিত্র সাংবাদিক আবদুর রহমান। ‘বরেণ্য ববিতা’ শিরোনামে নির্মিত এই বিশেষ সাক্ষাৎকারটি শিগগিরই দেশের একটি গণমাধ্যমতে প্রচার হবে। এতে তাঁর শৈশব, কৈশোর, চলচ্চিত্রে আসার গল্প, অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি এবং ব্যক্তিজীবনের অজানা অনেক বিষয় উঠে আসবে বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে ঈদের দ্বিতীয় দিন সন্ধ্যা ৬টায়।

এই সময়ে উৎসব আয়োজনের অনুষ্ঠানে অংশ নিলেও সিনেমায় একেবারেই অনিয়মিত ববিতা। ভালো গল্পের সিনেমার প্রস্তাব পেলে অভিনয় করবেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে ববিতা বলেন, ‘একজন প্রকৃত শিল্পীর কোনো অবসর নেই। অভিনয়তো করতেই চাই। আমার কাছে সে রকম গল্প আসতে হবে। যে ধরনের সিনেমা আমি করতে চাই, সে রকম সিনেমার প্রস্তাব এ সময়ে কোনো নির্মাতা নিয়ে আসতে পারেননি। মনের মতো ভালো চরিত্র না পেলে গৎবাঁধা চরিত্রে অভিনয় করার কোনো মানে নেই।’
১৯৫৩ সালের ৩০ জুলাই বাগেরহাটে ববিতার জন্ম। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তিনি এক অনন্য নাম। ষাটের দশকের শেষদিকে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন এবং দ্রুতই জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তাঁর অভিনয়ের বৈচিত্র্য, সাবলীলতা ও গভীরতা তাঁকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে স্থায়ী আসন এনে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলো ছড়িয়েছেন।
খ্যাতিমান নির্মাতা জহির রায়হানের ‘সংসার’ সিনেমায় প্রথম অভিনয় করেন তিনি। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা।
পিআর/টিকে