© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এবার মোবাইলের মতোই ‘চার্জ’ দিতে হবে বিশ্বকাপের বলেও!

শেয়ার করুন:
এবার মোবাইলের মতোই ‘চার্জ’ দিতে হবে বিশ্বকাপের বলেও!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:২৩ পিএম | ২৫ মে, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ম্যাচ বল 'ত্রিওনদা' নিছক চামড়া আর সুতোর কোনো গোলক নয়, বরং এটি আস্ত একটি কম্পিউটার! ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের তৈরি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই বলটি সচল রাখতে স্মার্টফোনের মতোই নিয়মিত চার্জ দিতে হবে।

একবার পুরোপুরি চার্জ দিলে বলটি টানা ছয় ঘণ্টা সচল থাকতে পারে, যা দেড় ঘণ্টার একটি ফুটবল ম্যাচের জন্য একেবারেই পর্যাপ্ত। তাই ম্যাচ শুরুর আগেই রেফারিদের নিশ্চিত করতে হবে বলটিতে ফুল চার্জ আছে কি না।

বিশ্বকাপের সবচেয়ে চমকপ্রদ এই প্রযুক্তির মূল রহস্য লুকিয়ে আছে বলটির ঠিক কেন্দ্রে। সেখানে মাত্র ১৪ গ্রাম ওজনের একটি বিশেষ মোশন সেন্সর চিপ এমনভাবে ভারসাম্য বজায় রেখে বসানো হয়েছে, যাতে শট নিতে বা ড্রিবলিং করতে খেলোয়াড়দের বিন্দুমাত্র বেগ পেতে না হয়। মাঠে সাধারণ বলের সঙ্গে এর কোনো পার্থক্যই বুঝতে পারবেন না ফুটবলাররা।

৫০০ হার্টজের এই সেন্সরটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য বা ডাটা রেকর্ড করতে সক্ষম। ফলে খেলোয়াড়ের পায়ের সামান্যতম ছোঁয়া, বলের ঘূর্ণন, গতি এবং নিখুঁত গতিপথের হিসাব বা রিয়েল-টাইম ডাটা মুহূর্তের মধ্যেই সরাসরি চলে যাবে কন্ট্রোল রুমে।

অভাবনীয় এই প্রযুক্তি মাঠের রেফারিদের অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা ফাউলের মতো জটিল সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত ও নিখুঁতভাবে নিতে সরাসরি সাহায্য করবে। বিশেষ করে অফসাইডের ক্ষেত্রে ঠিক কোন মুহূর্তে পাস দেওয়া হয়েছিল, তা খালি চোখে ধরা না পড়লেও 'ত্রিওনদা'র চিপ সেকেন্ডের পাঁচ শ ভাগের এক ভাগ সময়ের ব্যবধানে তা সূক্ষ্মভাবে ধরে ফেলবে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে রেফারিদের আর অনুমানের ওপর নির্ভর করতে হবে না।

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন