© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কললিস্ট, লোকেশন ও এনআইডিসহ গোপন তথ্য বিক্রি, ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন:
কললিস্ট, লোকেশন ও এনআইডিসহ গোপন তথ্য বিক্রি, ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৪১ এএম | ০৮ অক্টোবর, ২০২৬
নাগরিকের ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্যের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব যাদের, অভিযোগ উঠেছে তারাই সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে সেই তথ্য সংগ্রহ করে বিক্রি করেছেন।

কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর), মুঠোফোনের অবস্থান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট ও এসএমএসসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রির অভিযোগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার বিভাগ ৪ পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন ডেমরা থানার কনস্টেবল সাইমন হোসেন রাশেদ ও মাসুম মিয়া, ওয়ারী থানার কনস্টেবল নিজাম উদ্দীন এবং তুরাগ থানার কনস্টেবল মো. জিহাদ মিয়া।



তাদের বিরুদ্ধে সরকারি দায়িত্বের সুযোগ নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বেআইনিভাবে সিডিআর সংগ্রহ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা বিক্রি ও ছড়িয়ে দেওয়া, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অন্যের কাছে হস্তান্তরের অভিযোগ আনা হয়েছে।



ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বুধবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) আবিদুর রহমান বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করেন। ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ মামলাটির তদন্ত করছে।

মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এনআইডির তথ্য ছাড়াও মোবাইল সিমের অবস্থান, সিডিআর, এসএমএস, পাসপোর্টসহ নাগরিকদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্য বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও প্রতারণার মাধ্যমে বেআইনিভাবে মুঠোফোনের সিডিআর সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর এবং নাগরিকের সিম বা মুঠোফোন নম্বরের কললিস্ট, লাস্ট কল লোকেশন, এনআইডিসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হস্তান্তর ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর ডিবির সাইবার মনিটরিংয়ের সময় ফেসবুকের একটি অ্যাকাউন্ট, একটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট এবং একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বরের সিডিআর বিক্রির বিষয়টি নজরে আসে। পরে অনুসন্ধানে সিডিআর বিক্রির টাকা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত একটি বিকাশ নম্বরের তথ্যও পাওয়া যায়।

কেএন/টিএ

মন্তব্য করুন